ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরমে পানিশূন্যতা রোধে কী খাবেন? জানুন কার্যকর উপায়

  • Nasima Khatun
  • Update Time : ০১:৩৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৮

তাপপ্রবাহে সুস্থ থাকতে পানি ও পুষ্টিকর পানীয় গ্রহণের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। অতিরিক্ত গরমে শরীর থেকে ঘাম ঝরার ফলে দ্রুত পানি ও প্রয়োজনীয় লবণ (ইলেকট্রোলাইট) কমে যায়, যা মারাত্মক অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পানিশূন্যতা ও লবণ ঘাটতি দেখা দিলে শরীরে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, পেশিতে টান, বমিভাব এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘ সময় এ অবস্থা চলতে থাকলে কিডনি জটিলতাও তৈরি হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে শরীরকে ঠান্ডা রাখা এবং পানির ভারসাম্য বজায় রাখা সবচেয়ে জরুরি। এজন্য দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পানি ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তরমুজ, আনারস, বেল বা মাল্টার মতো ফলের রস শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন সরবরাহ করে। একইভাবে টক দইয়ের লাচ্ছি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর এবং প্রোবায়োটিক হিসেবে হজমেও সহায়ক।

বিশুদ্ধ পানি নিয়মিত পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলাই ভালো। পাশাপাশি পাতলা ঝোলের সবজি ও মাছ শরীরকে হালকা রাখে এবং অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন কমায়।

এছাড়া খাওয়ার স্যালাইন ও ডাবের পানি শরীরে দ্রুত ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ করে এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গরমে পানিশূন্যতা রোধে কী খাবেন? জানুন কার্যকর উপায়

Update Time : ০১:৩৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। অতিরিক্ত গরমে শরীর থেকে ঘাম ঝরার ফলে দ্রুত পানি ও প্রয়োজনীয় লবণ (ইলেকট্রোলাইট) কমে যায়, যা মারাত্মক অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পানিশূন্যতা ও লবণ ঘাটতি দেখা দিলে শরীরে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, পেশিতে টান, বমিভাব এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘ সময় এ অবস্থা চলতে থাকলে কিডনি জটিলতাও তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন  'ফাইবারম্যাক্সিং’ এখন নতুন ট্রেন্ড

এই পরিস্থিতিতে শরীরকে ঠান্ডা রাখা এবং পানির ভারসাম্য বজায় রাখা সবচেয়ে জরুরি। এজন্য দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পানি ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তরমুজ, আনারস, বেল বা মাল্টার মতো ফলের রস শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন সরবরাহ করে। একইভাবে টক দইয়ের লাচ্ছি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর এবং প্রোবায়োটিক হিসেবে হজমেও সহায়ক।

আরও পড়ুন  চৈত্রসংক্রান্তি: গ্রামীণ ঐতিহ্য থেকে ডিজিটাল যুগে নতুন রূপ

বিশুদ্ধ পানি নিয়মিত পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলাই ভালো। পাশাপাশি পাতলা ঝোলের সবজি ও মাছ শরীরকে হালকা রাখে এবং অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন কমায়।

এছাড়া খাওয়ার স্যালাইন ও ডাবের পানি শরীরে দ্রুত ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ করে এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।