কৃত্রিম টার্ফে খেলতে অনীহা থাকায় পালমেইরাসের বিপক্ষে নেইমারকে নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের স্কোয়াডে সান্তোসের এই তারকা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি মাঠে নামবেন কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। ম্যাচের আগে নেইমারের শারীরিক অবস্থা ও মাঠের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কোচিং স্টাফ।
বুধবার সাও পাওলোর নুব্যাঙ্ক পার্ক স্টেডিয়ামে পালমেইরাসের মুখোমুখি হবে সান্তোস। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কৃত্রিম টার্ফে। এমন মাঠে খেলার বিষয়ে এর আগেও আপত্তি জানিয়েছিলেন নেইমার, তাই এবারও তার মাঠে নামা নিয়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি আলোচনা।
সান্তোস অবশ্য ম্যাচের পরিকল্পনায় নেইমারকে রেখেছে। কোচ কুকার ইচ্ছা রয়েছে দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কে মাঠে নামানোর। তবে কৃত্রিম মাঠে খেলার কারণে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দলের অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে ম্যাচের আগের দিন সাও পাওলোতে যাননি নেইমার। ম্যাচের দিনই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এরপর তার ফিটনেস, শারীরিক প্রস্তুতি এবং মাঠের পরিস্থিতি দেখে একাদশে রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কোচ।
নেইমারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকার অন্যতম কারণ তার দীর্ঘ ইনজুরি ইতিহাস। কৃত্রিম টার্ফে খেলার চাপ তার শরীরে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কি না, সেটিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। ফলে স্কোয়াডে থাকলেও প্রথম একাদশে তার জায়গা এখনো নিশ্চিত নয়।
পালমেইরাসের বিপক্ষে ম্যাচটি সান্তোসের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচে নেইমারের উপস্থিতি দলের আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই সমর্থকরাও তাকে মাঠে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন।
তবে নেইমারকে নিয়ে সান্তোসের কাছে শুধু একটি ম্যাচের ফলই গুরুত্বপূর্ণ নয়, তার দীর্ঘমেয়াদি ফিটনেসও বড় বিষয়। তাই কৃত্রিম টার্ফে তাকে খেলানোর সিদ্ধান্তে ম্যাচের প্রয়োজনের পাশাপাশি ইনজুরির ঝুঁকিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
ম্যাচের আগে চূড়ান্ত মূল্যায়নের পর নেইমারকে খেলানো হবে কি না, সেটি জানাবে সান্তোস। আপাতত নিশ্চিত বিষয় হলো, তিনি স্কোয়াডে রয়েছেন। এখন অপেক্ষা কেবল কোচ কুকার শেষ সিদ্ধান্তের।




























