ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি সম্প্রতি তাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিয়ের সকল গুঞ্জন ও ভুয়া খবর সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর তার বিয়ের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে এমন নানা গুঞ্জন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তিনি নিজেই সবাইকে জানাবেন। তাই ভিত্তিহীন এসব তথ্য ও মিথ্যা সংবাদ ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
চলতি বছরের মার্চ মাসের শুরুর দিকে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখ খুলতে গিয়ে পূজা চেরি ভক্তদের মাঝে একটি চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় তিনি গণমাধ্যমের সামনে অকপটে স্বীকার করেছিলেন যে তিনি ইতোমধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ‘এনগেজড’ বা বাগদান সম্পন্ন করে ফেলেছেন। তার হবু জীবনসঙ্গী বা স্বামী বিনোদন জগতের বাইরের একজন সাধারণ মানুষ বলে সে সময় জানিয়েছিলেন এই প্রশংসিত অভিনেত্রী। তবে সেই সময় হবু বর সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বা বিয়ের নির্দিষ্ট কোনো তারিখ ভক্তদের সঙ্গে তিনি শেয়ার করেননি।
এর আগে গত আগস্ট মাসেও পূজা চেরির গোপনে বিয়ের পিঁড়িতে বসা নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন সামাজিক মাধ্যমে বেশ জোরেশোরে ভাইরাল হয়েছিল। তখনও অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সেই সমস্ত ভিত্তিহীন গুঞ্জন অস্বীকার করে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন এই চিত্রনায়িকা। পূজা সে সময় গণমাধ্যমকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন যে বিয়ে মানুষের জীবনের অত্যন্ত বড় এবং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পবিত্র সিদ্ধান্ত। তাই এই বিশেষ কাজটি কখনোই গোপনে করার কোনো ইচ্ছা তার নেই বরং একটি সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশেই নতুন জীবন শুরু করতে চান তিনি।
পরবর্তীতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর আবারও নতুন করে তার বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে তিনি পুনরায় নিজের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের তারিখ কিংবা কোনো ধরনের জমকালো আয়োজন নিয়ে যখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে, তা তিনি নিজেই সবাইকে জানাবেন। এ কারণে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা চললেও পূজা চেরি বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এগুলো শুধুই গুঞ্জন। সুতরাং, নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র বা পরিবারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া এ ধরনের খবরের কোনো সত্যতা নেই বলে সবাই ধরে নিয়েছেন।





























