ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাবুর তারুণ্যের রহস্য: ৫৪ বছরেও ফিট থাকার সহজ কৌশল

বয়সকে হার মানানো প্রাণবন্ত টাবু | ছবি: সংগৃহীত

টাবুর তারুণ্যের রহস্য নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। বয়স ৫৪ পেরোলেও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী টাবুকে দেখে বয়সের ছাপ সহজে বোঝার উপায় নেই। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর ফিটনেস ও প্রাণবন্ত উপস্থিতিও বরাবরই দর্শকদের নজর কাড়ে। তবে এর পেছনে কোনো জাদুকরী পদ্ধতি নয়, বরং দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকেই গুরুত্ব দেন এই অভিনেত্রী।

টাবুর তারুণ্যের রহস্যের অন্যতম দিক হলো খাবারের বিষয়ে সচেতন থাকা। অভিনেত্রীর মতে, শরীর ভালো রাখতে সব ধরনের খাবার একেবারে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কী খাওয়া হচ্ছে এবং কতটা খাওয়া হচ্ছে—সেদিকে নজর দেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অতিরিক্ত অস্বাস্থ্যকর ও জাঙ্ক খাবার এড়িয়ে চলেন এবং সাধারণ, পুষ্টিকর খাবারকে প্রাধান্য দেন। ভাত, রুটি বা পছন্দের অন্যান্য খাবার খেলেও পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখেন তিনি।

বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনও বদলে যায়—এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন টাবু। তাঁর মতে, তরুণ বয়সে শরীর যেভাবে ব্যায়ামের চাপ নিতে পারে, বয়স বাড়লে একইভাবে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী শরীরচর্চার ধরন নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত পরিশ্রম করে শরীরকে ক্লান্ত করার বদলে সক্রিয় ও সতেজ রাখাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

টাবুর তারুণ্যের রহস্যে যোগব্যায়ামেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। নিয়মিত যোগব্যায়াম শরীরকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করার পাশাপাশি মনকে শান্ত রাখতেও সহায়ক বলে মনে করেন তিনি। শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে মানসিক প্রশান্তিকেও সমান গুরুত্ব দেন এই অভিনেত্রী। তাই শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের দিকে নজর না দিয়ে শরীর ও মনের সামগ্রিক সুস্থতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাই পাওয়া যায় তাঁর জীবনযাপন থেকে।

টাবুর ফিটনেস ভাবনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বয়সকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা। তাঁর মতে, ২০ বছর বয়সের শরীর আর ৪০ বা ৫০ বছর বয়সের শরীর এক নয়। তাই বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জীবনযাপনের অভ্যাসেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। নিজের শরীরের সংকেত বুঝে খাবার, বিশ্রাম ও ব্যায়ামের মধ্যে ভারসাম্য রাখাই দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার অন্যতম উপায় বলে মনে করেন তিনি।

সব মিলিয়ে টাবুর তারুণ্যের রহস্য কোনো কঠিন ডায়েট বা চটকদার ফিটনেস রুটিনে আটকে নেই। পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা, যোগব্যায়াম এবং নিজের শরীরের প্রয়োজন বোঝার মধ্যেই তাঁর ফিট থাকার দর্শন। ৫৪ বছর বয়সেও তাঁর প্রাণবন্ত উপস্থিতি তাই অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার। তবে ব্যক্তিভেদে খাবার ও ব্যায়ামের প্রয়োজন আলাদা হওয়ায় নতুন কোনো কঠোর রুটিন শুরু করার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

টাবুর তারুণ্যের রহস্য: ৫৪ বছরেও ফিট থাকার সহজ কৌশল

Update Time : ১০:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

টাবুর তারুণ্যের রহস্য নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। বয়স ৫৪ পেরোলেও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী টাবুকে দেখে বয়সের ছাপ সহজে বোঝার উপায় নেই। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর ফিটনেস ও প্রাণবন্ত উপস্থিতিও বরাবরই দর্শকদের নজর কাড়ে। তবে এর পেছনে কোনো জাদুকরী পদ্ধতি নয়, বরং দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকেই গুরুত্ব দেন এই অভিনেত্রী।

টাবুর তারুণ্যের রহস্যের অন্যতম দিক হলো খাবারের বিষয়ে সচেতন থাকা। অভিনেত্রীর মতে, শরীর ভালো রাখতে সব ধরনের খাবার একেবারে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কী খাওয়া হচ্ছে এবং কতটা খাওয়া হচ্ছে—সেদিকে নজর দেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অতিরিক্ত অস্বাস্থ্যকর ও জাঙ্ক খাবার এড়িয়ে চলেন এবং সাধারণ, পুষ্টিকর খাবারকে প্রাধান্য দেন। ভাত, রুটি বা পছন্দের অন্যান্য খাবার খেলেও পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখেন তিনি।

আরও পড়ুন  রাশমিকা মান্দানার নতুন জীবন: বিয়ে, প্রেম ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য

বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনও বদলে যায়—এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন টাবু। তাঁর মতে, তরুণ বয়সে শরীর যেভাবে ব্যায়ামের চাপ নিতে পারে, বয়স বাড়লে একইভাবে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী শরীরচর্চার ধরন নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত পরিশ্রম করে শরীরকে ক্লান্ত করার বদলে সক্রিয় ও সতেজ রাখাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

টাবুর তারুণ্যের রহস্যে যোগব্যায়ামেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। নিয়মিত যোগব্যায়াম শরীরকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করার পাশাপাশি মনকে শান্ত রাখতেও সহায়ক বলে মনে করেন তিনি। শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে মানসিক প্রশান্তিকেও সমান গুরুত্ব দেন এই অভিনেত্রী। তাই শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের দিকে নজর না দিয়ে শরীর ও মনের সামগ্রিক সুস্থতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাই পাওয়া যায় তাঁর জীবনযাপন থেকে।

আরও পড়ুন  সামান্থা সিনেমা দুর্দান্ত সাফল্যে গড়ল অবিশ্বাস্য ইতিহাস

টাবুর ফিটনেস ভাবনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বয়সকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা। তাঁর মতে, ২০ বছর বয়সের শরীর আর ৪০ বা ৫০ বছর বয়সের শরীর এক নয়। তাই বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জীবনযাপনের অভ্যাসেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। নিজের শরীরের সংকেত বুঝে খাবার, বিশ্রাম ও ব্যায়ামের মধ্যে ভারসাম্য রাখাই দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার অন্যতম উপায় বলে মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুন  দ্য ওডিসি সিনেমা: নোলানের মহাকাব্যিক বাজি, বাংলাদেশেও মুক্তি

সব মিলিয়ে টাবুর তারুণ্যের রহস্য কোনো কঠিন ডায়েট বা চটকদার ফিটনেস রুটিনে আটকে নেই। পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা, যোগব্যায়াম এবং নিজের শরীরের প্রয়োজন বোঝার মধ্যেই তাঁর ফিট থাকার দর্শন। ৫৪ বছর বয়সেও তাঁর প্রাণবন্ত উপস্থিতি তাই অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার। তবে ব্যক্তিভেদে খাবার ও ব্যায়ামের প্রয়োজন আলাদা হওয়ায় নতুন কোনো কঠোর রুটিন শুরু করার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।