স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর নাহার দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তাঁর বড় ছেলেও ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর থেকে তিনি ছোট ছেলের সঙ্গে ওই বাসায় থাকতেন। বুধবার সকালে তাঁর ছেলে কর্মস্থলে চলে যান। তাঁর অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূও তখন বাবার বাড়িতে ছিলেন। ফলে ঘটনার সময় বাসায় একাই ছিলেন নুর নাহার।
সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরাম উল্লাহ জানান, সন্ধ্যায় বাসার পেছনের দরজা খোলা দেখতে পান ভাড়াটিয়ারা। পরে তাঁরা ভেতরে ঢুকে শয়নকক্ষের বিছানায় নুর নাহারকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে।
ওসি আরও জানান, পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, নুর নাহার ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। তাঁর শরীরে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় নুর নাহারের ছেলে বাদী হয়ে সদরঘাট থানায় অপমৃত্যুর মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ওসি একরাম উল্লাহ। তবে মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন