ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই Logo গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু Logo গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে: ছুটি বাড়াচ্ছে শিল্পকারখানা Logo পাট রপ্তানিতে বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে দ্বিগুণ আয়ের পরিকল্পনা Logo এআই ডেটা সেন্টারে যুদ্ধের হুমকি: কেন সহজ টার্গেট হয়ে উঠছে? Logo স্বর্ণের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, আজ কত টাকায় মিলছে এক ভরি? Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান Logo সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে কেন সতর্ক করল সরকার? Logo ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস

আফরোজা আব্বাস নতুন দায়িত্ব: জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান নিয়োগ

রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আফরোজা আব্বাস। ছবি: সংগৃহীত

আফরোজা আব্বাসকে নতুন দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। বিএনপির মহিলা দলের সভানেত্রীকে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মঙ্গলবার (১৬ জুন) এ তথ্য জানানো হয়। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের ভিত্তিতে জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৮(১) ও ৮(২) অনুসারে আফরোজা আব্বাসকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য এই পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

সরকারের জারি করা নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেও সরকার চাইলে যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবে। একইভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিও চাইলে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারবেন। এ ছাড়া এই পদটি অবৈতনিক হিসেবে বিবেচিত হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের নিয়োগ সাধারণত সামাজিক উন্নয়ন ও নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে করা হয়। জাতীয় মহিলা সংস্থা দেশের নারী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আফরোজা আব্বাস দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। মহিলা দলের নেতৃত্বে থেকে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ায় তার ভূমিকা এখন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে আরও যুক্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে আফরোজা আব্বাসের এই নিয়োগ নারী নেতৃত্ব ও জাতীয় পর্যায়ের সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই

আফরোজা আব্বাস নতুন দায়িত্ব: জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান নিয়োগ

Update Time : ১০:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আফরোজা আব্বাসকে নতুন দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। বিএনপির মহিলা দলের সভানেত্রীকে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মঙ্গলবার (১৬ জুন) এ তথ্য জানানো হয়। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের ভিত্তিতে জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৮(১) ও ৮(২) অনুসারে আফরোজা আব্বাসকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য এই পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন  হরমুজ টোল: ট্রাম্পের বিস্ফোরক পরিকল্পনার আসল রহস্য জানুন

সরকারের জারি করা নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেও সরকার চাইলে যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবে। একইভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিও চাইলে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারবেন। এ ছাড়া এই পদটি অবৈতনিক হিসেবে বিবেচিত হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের নিয়োগ সাধারণত সামাজিক উন্নয়ন ও নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে করা হয়। জাতীয় মহিলা সংস্থা দেশের নারী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আরও পড়ুন  বিএনপি নেতাসহ ১৫ জনের নামে বিজিবির মামলা

আফরোজা আব্বাস দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। মহিলা দলের নেতৃত্বে থেকে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ায় তার ভূমিকা এখন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে আরও যুক্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে আফরোজা আব্বাসের এই নিয়োগ নারী নেতৃত্ব ও জাতীয় পর্যায়ের সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতি বাছাইয়ে আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি চায় না বিএনপি