দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্স ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বহরে ২১টি নতুন বিমান যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। একই সঙ্গে ২০টি দেশের ৩০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। রোববার (১৯ জুলাই) কক্সবাজারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বর্তমানে ইউএস–বাংলা দেশের ছয়টি অভ্যন্তরীণ এবং ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্বাধীনতার পর দেশের কোনো বেসরকারি এয়ারলাইনস প্রথমবার নতুন বিমান দিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে কার্যক্রম শুরু করেছে। সম্প্রসারণ পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আগামী ২৯ জুলাই রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া হবে।
ইউএস–বাংলা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাদের গ্রুপের অধীনে দুটি পৃথক এয়ারলাইনস পরিচালনা করা হবে। একটি হবে পূর্ণাঙ্গ সেবাভিত্তিক (ফুল সার্ভিস) এবং অন্যটি স্বল্প ব্যয়ভিত্তিক (লো-কস্ট) এয়ারলাইনস। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের যাত্রীর জন্য আলাদা সেবা নিশ্চিত করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।
আগামী বছর বহরে যুক্ত হওয়া নতুন বিমানগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন সুবিধা থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে তারবিহীন স্ট্রিমিং, উড়োজাহাজে ইন্টারনেট ব্যবহার এবং প্রতিটি আসনে মোবাইল চার্জিংয়ের ব্যবস্থা। ভবিষ্যতে যাত্রীদের বিনা মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ইউএস–বাংলা ও এয়ার অ্যাস্ট্রা মিলিয়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ বাজার হিস্যা রয়েছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিদিন তারা প্রায় ৯৪টি অভ্যন্তরীণ ও ৩০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে। মাসে মোট ফ্লাইটের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজার।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি আগামী বছর ফুকেট, ব্রুনাই, দাম্মাম ও মদিনায় নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতিও চলছে বলে জানিয়েছে ইউএস–বাংলা।





























