ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ইরানের ক্ষমতার লড়াই: কার হাতে এখন আসল নিয়ন্ত্রণ?

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:৩১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪২

ইরানের ক্ষমতার লড়াই: আইআরজিসির নেতৃত্ব | ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ক্ষমতার লড়াই নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ইরানে এখন আসলে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কে? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, দেশটির নেতৃত্বে বিভ্রান্তি রয়েছে। তবে তেহরান এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতার কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু ইরানের সরকার বলছে, রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো ধরনের বিভাজন নেই এবং গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত সমন্বয় করেই নেওয়া হচ্ছে।

ইরানের ক্ষমতার লড়াই - হরমুজ প্রণালী
হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা – ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইরান স্পষ্ট করেছে, এই কৌশলগত জলপথে নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌম স্বার্থ রক্ষায় তারা কোনো ছাড় দেবে না। এ কারণে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি জাহাজে হামলার ঘটনাও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আইআরজিসির প্রধান আহমদ বাহিদি, যৌথ যুদ্ধকালীন কমান্ডের প্রধান আলী আবদুল্লাহি এবং নৌবাহিনীর নতুন কমান্ডার আলী আজমাই নিয়মিতভাবে একসঙ্গে জনসমক্ষে উপস্থিত হয়ে ঐক্যের বার্তা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নেতৃত্বও সামরিক ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় করছে।

এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, ওমানে অনুষ্ঠিত আলোচনায় জাহাজ চলাচলের জন্য বিকল্প একটি রুটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। যদিও এখন পর্যন্ত সেই উদ্যোগ থেকে সংকট নিরসনের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে আইআরজিসির প্রভাব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি দৃশ্যমান হলেও সরকার ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রকাশ্য মতবিরোধের প্রমাণ এখনো সামনে আসেনি। তাই যুক্তরাষ্ট্র বিভক্ত নেতৃত্বের কথা বললেও তেহরান নিজেদের অবস্থানকে ঐক্যবদ্ধ বলেই তুলে ধরছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ইরানের ক্ষমতার লড়াই: কার হাতে এখন আসল নিয়ন্ত্রণ?

Update Time : ১২:৩১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের ক্ষমতার লড়াই নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ইরানে এখন আসলে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কে? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, দেশটির নেতৃত্বে বিভ্রান্তি রয়েছে। তবে তেহরান এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতার কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু ইরানের সরকার বলছে, রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো ধরনের বিভাজন নেই এবং গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত সমন্বয় করেই নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক পোস্ট: ‘ইরান খুব খারাপভাবে হারছে’
ইরানের ক্ষমতার লড়াই - হরমুজ প্রণালী
হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা – ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইরান স্পষ্ট করেছে, এই কৌশলগত জলপথে নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌম স্বার্থ রক্ষায় তারা কোনো ছাড় দেবে না। এ কারণে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি জাহাজে হামলার ঘটনাও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আইআরজিসির প্রধান আহমদ বাহিদি, যৌথ যুদ্ধকালীন কমান্ডের প্রধান আলী আবদুল্লাহি এবং নৌবাহিনীর নতুন কমান্ডার আলী আজমাই নিয়মিতভাবে একসঙ্গে জনসমক্ষে উপস্থিত হয়ে ঐক্যের বার্তা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নেতৃত্বও সামরিক ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় করছে।

আরও পড়ুন  বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি ১১৭ বছরের এথেলের বিস্ময়কর ইতিহাস

এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, ওমানে অনুষ্ঠিত আলোচনায় জাহাজ চলাচলের জন্য বিকল্প একটি রুটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। যদিও এখন পর্যন্ত সেই উদ্যোগ থেকে সংকট নিরসনের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে আইআরজিসির প্রভাব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি দৃশ্যমান হলেও সরকার ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রকাশ্য মতবিরোধের প্রমাণ এখনো সামনে আসেনি। তাই যুক্তরাষ্ট্র বিভক্ত নেতৃত্বের কথা বললেও তেহরান নিজেদের অবস্থানকে ঐক্যবদ্ধ বলেই তুলে ধরছে।

আরও পড়ুন  চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ১০৯ তলা ভবন বিমান বিধস্ত