ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই Logo গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু Logo গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে: ছুটি বাড়াচ্ছে শিল্পকারখানা Logo পাট রপ্তানিতে বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে দ্বিগুণ আয়ের পরিকল্পনা Logo এআই ডেটা সেন্টারে যুদ্ধের হুমকি: কেন সহজ টার্গেট হয়ে উঠছে? Logo স্বর্ণের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, আজ কত টাকায় মিলছে এক ভরি? Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান Logo সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে কেন সতর্ক করল সরকার? Logo ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস

স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ার ধাক্কা: বিশ্ববাজারে বড় পতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ছবি: সংগৃহীত

স্বর্ণের দাম কম বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে মূল্যবান ধাতুর বাজারে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে স্বর্ণের দাম একদিনেই ২ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এই ধাতু।

বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে আউন্সপ্রতি বড় পতন রেকর্ড করেছে। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচারেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের হার বজায় থাকবে—এই প্রত্যাশা বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণ থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে, কারণ সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়।

স্বর্ণের দাম কম শুধু স্বর্ণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। রুপা, প্ল্যাটিনাম এবং প্যালাডিয়ামের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে ধাতব বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন নিরাপদ সম্পদের পরিবর্তে উচ্চ রিটার্নের বিকল্প খুঁজছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর স্বর্ণের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তীতে মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা বাজারে প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই চাহিদা কমে গেছে।

আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে ডলারের শক্তিশালী অবস্থানও স্বর্ণের দাম কমাতে ভূমিকা রাখছে। ডলারের মান শক্তিশালী হলে স্বর্ণ সাধারণত আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে, যা চাহিদা কমিয়ে দেয়। এই সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের উপর চাপ তৈরি হয়েছে।

বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে বাজারে আরও ওঠানামা দেখা যেতে পারে। ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সিদ্ধান্ত, বৈশ্বিক সংঘাত এবং মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের ওপর নির্ভর করবে স্বর্ণের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা। তাই বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই

স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ার ধাক্কা: বিশ্ববাজারে বড় পতন

Update Time : ১১:৫০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

স্বর্ণের দাম কম বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে মূল্যবান ধাতুর বাজারে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে স্বর্ণের দাম একদিনেই ২ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এই ধাতু।

বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে আউন্সপ্রতি বড় পতন রেকর্ড করেছে। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচারেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের হার বজায় থাকবে—এই প্রত্যাশা বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণ থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে, কারণ সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়।

আরও পড়ুন  ৯৩ বছরেও থামেননি! ট্রাক চালিয়ে গড়ছেন বিশ্ব রেকর্ড

স্বর্ণের দাম কম শুধু স্বর্ণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। রুপা, প্ল্যাটিনাম এবং প্যালাডিয়ামের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে ধাতব বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন নিরাপদ সম্পদের পরিবর্তে উচ্চ রিটার্নের বিকল্প খুঁজছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর স্বর্ণের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তীতে মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা বাজারে প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই চাহিদা কমে গেছে।

আরও পড়ুন  স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা

আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে ডলারের শক্তিশালী অবস্থানও স্বর্ণের দাম কমাতে ভূমিকা রাখছে। ডলারের মান শক্তিশালী হলে স্বর্ণ সাধারণত আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে, যা চাহিদা কমিয়ে দেয়। এই সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের উপর চাপ তৈরি হয়েছে।

বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে বাজারে আরও ওঠানামা দেখা যেতে পারে। ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সিদ্ধান্ত, বৈশ্বিক সংঘাত এবং মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের ওপর নির্ভর করবে স্বর্ণের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা। তাই বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধ থামবে না, বললেন নেতানিয়াহু; বাড়ছে নতুন সংকট