ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঢাকায় আবার বৃষ্টির সম্ভাবনা, গরম থেকে মিলবে স্বস্তি? Logo সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে হঠাৎ প্রত্যাহার Logo তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়ালালামপুর যাত্রা Logo ছাদবাগানে সবজি চাষ: কোন মাসে কী লাগাবেন? Logo মামুনুল হককে নিয়ে মন্তব্য এক্সপাঞ্জ: সংসদে স্পিকারের অভাবনীয় সিদ্ধান্ত Logo কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু: কানাইঘাটে শোকের ছায়া Logo সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢল, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ; বাড়ছে বন্যার শঙ্কা Logo অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে নতুন চাপে মেসি ও ম্যাক অ্যালিস্টার Logo প্রতিদিন ১৫ মিনিট যোগচর্চা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন Logo অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে আসাদো পার্টিতে মজেছে আর্জেন্টিনা

তেল রপ্তানি সংকটে ইরান, মজুত সক্ষমতা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

ইরানের খারগ দ্বিপ। ছবি: রয়টার্স

মার্কিন অবরোধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে ইরানের তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, রপ্তানি কমে যাওয়ায় দেশটির বিভিন্ন বন্দরে অপরিশোধিত তেলের মজুত দ্রুত বাড়ছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ইরানের সংরক্ষণ সক্ষমতা সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। এতে দেশটিকে উৎপাদন কমানো কিংবা সাময়িকভাবে বন্ধের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়িয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল পরিবহন ও রপ্তানি কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

তথ্য বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্রগুলোতে মজুতের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। স্থলভাগের পাশাপাশি ভাসমান ট্যাংকারেও বিপুল পরিমাণ তেল সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতির গভীরতা স্পষ্ট করছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে ইরানের জ্বালানি খাত বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। এতে ভবিষ্যতে তেল উত্তোলন ব্যয়বহুল হওয়ার পাশাপাশি দেশটির অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় আবার বৃষ্টির সম্ভাবনা, গরম থেকে মিলবে স্বস্তি?

তেল রপ্তানি সংকটে ইরান, মজুত সক্ষমতা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

Update Time : ১২:৪৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন অবরোধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে ইরানের তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, রপ্তানি কমে যাওয়ায় দেশটির বিভিন্ন বন্দরে অপরিশোধিত তেলের মজুত দ্রুত বাড়ছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ইরানের সংরক্ষণ সক্ষমতা সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। এতে দেশটিকে উৎপাদন কমানো কিংবা সাময়িকভাবে বন্ধের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

আরও পড়ুন  সোমবার থেকে ডিপোতে বাড়তি বরাদ্দে মিলবে ডিজেল-পেট্রোল-অকটেন

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়িয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল পরিবহন ও রপ্তানি কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

তথ্য বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্রগুলোতে মজুতের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। স্থলভাগের পাশাপাশি ভাসমান ট্যাংকারেও বিপুল পরিমাণ তেল সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতির গভীরতা স্পষ্ট করছে।

আরও পড়ুন  ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় যা থাকতে পারে

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে ইরানের জ্বালানি খাত বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। এতে ভবিষ্যতে তেল উত্তোলন ব্যয়বহুল হওয়ার পাশাপাশি দেশটির অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।