দিল্লি হোটেল আগুনে আহত বাংলাদেশিদের একজনের মৃত্যু হয়েছে। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির মালভিয়া নগর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৪৪ বছর বয়সী মো. নুরুল আমিন। এ ঘটনায় বিভিন্ন দেশের মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে পৌঁছেছে।
দিল্লি হোটেল আগুনের ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার দক্ষিণ দিল্লির একটি বহুতল ভবনে। ভবনটির নিচতলায় একটি রেস্তোরাঁ এবং উপরের তলাগুলোতে আবাসিক হোটেল পরিচালিত হচ্ছিল। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় সেখানে অবস্থানরত অনেকেই হতাহত হন।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত নুরুল আমিন আগুনে গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছিলেন। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি শেষ পর্যন্ত মারা যান। তার মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় কনস্যুলার কার্যক্রম শুরু করেছে হাইকমিশন।
আগুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি দুটি পরিবার চিকিৎসার উদ্দেশ্যে দিল্লিতে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার সময় তারা ওই হোটেলেই অবস্থান করছিলেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারতীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে।
দিল্লি হোটেল আগুনের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ভারত ছাড়াও মোজাম্বিক, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া এবং উজবেকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। এদিকে স্বজনদের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্ত শেষ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে।























