লামিনে ইয়ামাল বিশ্বকাপ জয়ের পর শুধু দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্যই নন, বরং এক অবিশ্বাস্য কাকতালের কারণেও আলোচনায় উঠে এসেছেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া এই স্প্যানিশ বিস্ময়বালকের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনের দিনটি ছিল ১৯ জুলাই। এর সঙ্গে মিলেছে তাঁর জার্সি নম্বরও—১৯। তিনটি ‘১৯’-এর এই বিরল সমীকরণ এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের জার্সিতে আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছেন ইয়ামাল। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই তাঁর গতি, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে চাপে রেখেছে। তরুণ এই উইঙ্গারের পারফরম্যান্স স্পেনের শিরোপা জয়ের অন্যতম বড় ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে আরেকটি তথ্য। বিশ্বকাপ জয়ের দিনে ইয়ামালের বয়স ছিল ১৯ বছর, তাঁর জার্সি নম্বর ১৯ এবং শিরোপা নিশ্চিত হয়েছে ১৯ জুলাই। সংখ্যার এই অদ্ভুত মিল অনেক ফুটবলপ্রেমী ‘সৌভাগ্যের প্রতীক’ বলেও উল্লেখ করছেন। যদিও এটি নিছক কাকতাল, তবুও ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।
ফুটবল ইতিহাসে অনেক সময়ই এমন কাকতালীয় ঘটনা সমর্থকদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইয়ামালের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের পাশাপাশি এই তিনটি ‘১৯’-এর মিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই এটিকে তাঁর ক্যারিয়ারের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাওয়া খুব কম ফুটবলারের ভাগ্যে জোটে। ইয়ামাল সেই বিরল তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছেন। অল্প বয়সেই বড় মঞ্চে চাপ সামলে খেলার দক্ষতা তাঁকে ভবিষ্যতের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কোচিং স্টাফ এবং সতীর্থদের আস্থার প্রতিদানও তিনি মাঠে দারুণভাবে দিয়েছেন।
বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে ইয়ামালের হাসিমাখা ছবি ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অন্যতম আলোচিত মুহূর্তে পরিণত হয়েছে। তিনটি ‘১৯’-এর কাকতাল হয়তো সময়ের সঙ্গে ভুলে যাবে মানুষ, কিন্তু ১৯ বছর বয়সে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই অর্জন এবং স্পেনের হয়ে তাঁর অবদান ফুটবল ইতিহাসে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।



























