সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১১ মে) পাঠানো ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখার জন্য নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে নানা ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয় সামনে এসেছে। অনেক বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গণ অপরিষ্কার, ভবনের ছাদে ময়লা জমে থাকা এবং কার্নিশে আগাছা জন্মানোর মতো সমস্যা দেখা গেছে। এসব কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নিয়ে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো বিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। শিক্ষার্থীরা যেন নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে, সে লক্ষ্যেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও অবকাঠামোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি বিদ্যালয়কে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বিদ্যালয়ের মাঠ, শ্রেণিকক্ষ, বারান্দা এবং আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে বলা হয়েছে।
বিদ্যালয় ভবনের ছাদ নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং কার্নিশে জন্ম নেওয়া আগাছা অপসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এসব কাজ নিয়মিত না করলে ভবনের ক্ষতি হতে পারে এবং বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিদ্যালয়গুলো আরও সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত হয়ে উঠবে।






















