ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নিয়ে কোরআন-হাদিস কী বলে?

সফল দাম্পত্য জীবনে বয়সের পাশাপাশি পারস্পরিক বোঝাপড়াও গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: সংগৃহীত

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন থাকে। কেউ মনে করেন বয়সের পার্থক্য বেশি হলে সমস্যা হতে পারে, আবার কেউ এটিকে গুরুত্ব দেন না। ইসলাম এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নির্ধারণ করেনি। তবে দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া, দায়িত্ববোধ ও মানসিক সামঞ্জস্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার শিক্ষা দিয়েছে।

ইসলামি সূত্রে দেখা যায়, কোরআনে জান্নাতের নেয়ামতের বর্ণনায় সমবয়সী সঙ্গীর কথা উল্লেখ রয়েছে, যা বয়সের ভারসাম্যের প্রতি একটি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেন অনেক আলেম। একই সঙ্গে হজরত ফাতিমা (রা.)-এর বিয়ের ঘটনাতেও বয়সের সামঞ্জস্যের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

তবে শরিয়তে বয়সের বেশি বা কম ব্যবধানকে হারাম বা নিষিদ্ধ বলা হয়নি। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের বিভিন্ন বিয়েও প্রমাণ করে, বিশেষ পরিস্থিতি, সামাজিক প্রয়োজন ও আল্লাহর নির্দেশের ভিত্তিতে বয়সের পার্থক্য থাকতে পারে। তাই শুধু বয়স দেখে কোনো বিয়েকে ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক বা ভুল বলা যায় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স কাছাকাছি হলে পারস্পরিক বোঝাপড়া, দায়িত্ব ভাগাভাগি ও দাম্পত্য জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। তবে এটি বাধ্যতামূলক কোনো বিধান নয়। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও বাস্তব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।

সবশেষে বলা যায়, ইসলাম সফল দাম্পত্য জীবনের ভিত্তি হিসেবে তাকওয়া, উত্তম চরিত্র, ভালোবাসা, সম্মান ও দায়িত্বশীলতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শুধু স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নয়, বরং দ্বীনদারি, মানসিক সামঞ্জস্য ও পারিবারিক মূল্যবোধকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

জনপ্রিয় সংবাদ

মেট্রোরেল কতটা নিরাপদ? ২৭ বেয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নিয়ে কোরআন-হাদিস কী বলে?

Update Time : ০৯:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন থাকে। কেউ মনে করেন বয়সের পার্থক্য বেশি হলে সমস্যা হতে পারে, আবার কেউ এটিকে গুরুত্ব দেন না। ইসলাম এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নির্ধারণ করেনি। তবে দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া, দায়িত্ববোধ ও মানসিক সামঞ্জস্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার শিক্ষা দিয়েছে।

ইসলামি সূত্রে দেখা যায়, কোরআনে জান্নাতের নেয়ামতের বর্ণনায় সমবয়সী সঙ্গীর কথা উল্লেখ রয়েছে, যা বয়সের ভারসাম্যের প্রতি একটি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেন অনেক আলেম। একই সঙ্গে হজরত ফাতিমা (রা.)-এর বিয়ের ঘটনাতেও বয়সের সামঞ্জস্যের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন  বিয়ের প্রথম রাতে ভয় কাটাতে নারীদের যা জানা জরুরি

তবে শরিয়তে বয়সের বেশি বা কম ব্যবধানকে হারাম বা নিষিদ্ধ বলা হয়নি। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের বিভিন্ন বিয়েও প্রমাণ করে, বিশেষ পরিস্থিতি, সামাজিক প্রয়োজন ও আল্লাহর নির্দেশের ভিত্তিতে বয়সের পার্থক্য থাকতে পারে। তাই শুধু বয়স দেখে কোনো বিয়েকে ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক বা ভুল বলা যায় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স কাছাকাছি হলে পারস্পরিক বোঝাপড়া, দায়িত্ব ভাগাভাগি ও দাম্পত্য জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। তবে এটি বাধ্যতামূলক কোনো বিধান নয়। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও বাস্তব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।

আরও পড়ুন  অহংকার কীভাবে জীবনের বরকত নষ্ট করে

সবশেষে বলা যায়, ইসলাম সফল দাম্পত্য জীবনের ভিত্তি হিসেবে তাকওয়া, উত্তম চরিত্র, ভালোবাসা, সম্মান ও দায়িত্বশীলতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শুধু স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নয়, বরং দ্বীনদারি, মানসিক সামঞ্জস্য ও পারিবারিক মূল্যবোধকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।