ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করায় রেস্তোরাঁকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা Logo গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: চুরি-লুটপাট বন্ধে সময় লাগার কথা নয় Logo শাহজালাল বিমানবন্দরে ২০ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার, তোলপাড় Logo গুনাহ ও ঋণের দোয়া: পাপ ও ঋণ থেকে বাঁচার গুরুত্বপূর্ণ আমল Logo ওবায়দুল কাদেরের রায়: আগামী সপ্তাহেই আসতে পারে সিদ্ধান্ত Logo প্লাস্টিকের চাপে কেশবপুরের মৃৎশিল্প, টিকে থাকার লড়াইয়ে কুমাররা Logo চেলসি খেলোয়াড় বিক্রি: বিশ্বরেকর্ড গড়ল ইংলিশ ক্লাবটি Logo দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo সংসদে ১০ স্থায়ী কমিটি, দায়িত্ব পেলেন যারা Logo নেপাল-তিব্বতে বন্যা: প্রাণহানি ছাড়াল হাজার

খাবারের আগে নাকি পরে ফল খাওয়া উচিত, গবেষণা আসলে কী বলে?

স্বাস্থ্যকর উপায়ে ফল খাওয়ার দারুণ কৌশল। ছবি: সংগৃহীত

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ফল খাওয়ার সঠিক সময় নিয়ে আমাদের মনে নানাবিধ প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি কাজ করে। পুষ্টিবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য  অনুসারে, খাবারের পর ফল খেলে তা পাকস্থলীতে পচে গিয়ে গ্যাস তৈরি করে—এমন ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।

আপনি যদি সহজেই শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান, তবে মূল খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ আগে ফল খাওয়া আপনার জন্য দারুণ কার্যকরী হতে পারে। ফলে থাকা প্রচুর ফাইবার ও পানি পেট ভরিয়ে রাখে, যা দুপুরের বা রাতের খাবারে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের রোগীদের ক্ষেত্রে ফল খাওয়ার সঠিক সময় নির্ধারণে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা এবং সচেতনতা প্রয়োজন। রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়াতে তারা ভারী খাবার খাওয়ার পর কম বা মাঝারি গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত তাজা ফলমূল নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

অনেকেরই নির্দিষ্ট কিছু ফলে পেট ফাঁপা বা হজমের অস্বস্তি হতে পারে, যা আসলে ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা ফলের শর্করার প্রতি সংবেদনশীলতার কারণে ঘটে। এই সমস্যাটি মূলত খাবারের টাইমিং বা সময়ের চেয়ে ফলের ধরন এবং পরিমাণের ওপর বেশি নির্ভর করে।

পুষ্টিবিদরা ফলকে সম্পূর্ণ একা না খেয়ে সবসময় বাদাম, পিনাট বাটার কিংবা টক দইয়ের মতো প্রোটিন বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সাথে মিলিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই চমৎকার সংমিশ্রণটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া চমৎকারভাবে রোধ করে।

প্রকৃতপক্ষে ফল খাওয়ার সঠিক সময় বলতে ঘড়ির কাঁধায় বাঁধা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, বরং আপনার শরীরের স্বস্তিই এখানে শেষ কথা। ওজন কমানো কিংবা পুষ্টির চাহিদা পূরণ—যে লক্ষ্যই হোক না কেন, প্রতিদিন নিয়মিত গোটা ফল খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করায় রেস্তোরাঁকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

খাবারের আগে নাকি পরে ফল খাওয়া উচিত, গবেষণা আসলে কী বলে?

Update Time : ০৬:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ফল খাওয়ার সঠিক সময় নিয়ে আমাদের মনে নানাবিধ প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি কাজ করে। পুষ্টিবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য  অনুসারে, খাবারের পর ফল খেলে তা পাকস্থলীতে পচে গিয়ে গ্যাস তৈরি করে—এমন ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।

আপনি যদি সহজেই শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান, তবে মূল খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ আগে ফল খাওয়া আপনার জন্য দারুণ কার্যকরী হতে পারে। ফলে থাকা প্রচুর ফাইবার ও পানি পেট ভরিয়ে রাখে, যা দুপুরের বা রাতের খাবারে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য

ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের রোগীদের ক্ষেত্রে ফল খাওয়ার সঠিক সময় নির্ধারণে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা এবং সচেতনতা প্রয়োজন। রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়াতে তারা ভারী খাবার খাওয়ার পর কম বা মাঝারি গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত তাজা ফলমূল নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

অনেকেরই নির্দিষ্ট কিছু ফলে পেট ফাঁপা বা হজমের অস্বস্তি হতে পারে, যা আসলে ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা ফলের শর্করার প্রতি সংবেদনশীলতার কারণে ঘটে। এই সমস্যাটি মূলত খাবারের টাইমিং বা সময়ের চেয়ে ফলের ধরন এবং পরিমাণের ওপর বেশি নির্ভর করে।

আরও পড়ুন  মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাংলাদেশ: ৯২% চিকিৎসা নেন না

পুষ্টিবিদরা ফলকে সম্পূর্ণ একা না খেয়ে সবসময় বাদাম, পিনাট বাটার কিংবা টক দইয়ের মতো প্রোটিন বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সাথে মিলিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই চমৎকার সংমিশ্রণটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া চমৎকারভাবে রোধ করে।

প্রকৃতপক্ষে ফল খাওয়ার সঠিক সময় বলতে ঘড়ির কাঁধায় বাঁধা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, বরং আপনার শরীরের স্বস্তিই এখানে শেষ কথা। ওজন কমানো কিংবা পুষ্টির চাহিদা পূরণ—যে লক্ষ্যই হোক না কেন, প্রতিদিন নিয়মিত গোটা ফল খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  মৌসুম শেষে আম খাবেন? দীর্ঘদিন সংরক্ষণের সহজ উপায়