মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাংলাদেশ এখনো দেশের স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৮-১৯ অনুযায়ী, দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ১৬.৮ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১২.৬ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগলেও আক্রান্তদের ৯২ শতাংশের বেশি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন না।
সোমবার জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, দেশে প্রতি এক লাখ মানুষের বিপরীতে মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন মাত্র ১.১৭ জন। সরকারি খাতে নিবন্ধিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যাও প্রায় ৩৫০ জন, যা জনসংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।
মন্ত্রী বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং পাবনা মানসিক হাসপাতালের মাধ্যমে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে দুর্গম অঞ্চলের মানুষের কাছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ১০ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং চার জেলায় আত্মহত্যা প্রতিরোধ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। সরকার ‘মানসিক স্বাস্থ্য আইন, ২০১৮’ এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কৌশলপত্র (২০২০-২০৩০) বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাংলাদেশ আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।


























