ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জরুরি আপডেট: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী অধিবেশনেই? আইনমন্ত্রীর বড় ইঙ্গিত Logo ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ দাবি: বড় অচলাবস্থায় মোদি সরকারের কঠোর অবস্থান Logo উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার: মহানায়ককে ঘিরে বড় ঘোষণা Logo সম্মানজনক কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা: কেবিসিসিআইয়ের নতুন উদ্যোগ Logo ফেসবুক ভেরিফাই: বিনামূল্যে ব্লু ব্যাজ পাওয়ার সহজ উপায় Logo শোভিতার রান্না: মজার পোস্টে চমক দিলেন নাগা চৈতন্য Logo সৌদি পারমাণবিক চুক্তি: ট্রাম্পের বড় সিদ্ধান্ত কেন বদলে গেল? Logo প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি, প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় হাজারো শিক্ষক Logo চিনি খাওয়া কমছে: স্বাস্থ্যসচেতনতার বড় পরিবর্তন জানুন Logo বস্ত্র খাতে ৫% প্রণোদনা, ঘুরে দাঁড়াবে কি স্পিনিং মিল?

প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি, প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় হাজারো শিক্ষক

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৪

প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। । ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। তবে কোনো যোগ্য শিক্ষক যেন অন্যায্যভাবে বঞ্চিত না হন, সে জন্য জ্যেষ্ঠতার তালিকা বা গ্রেডেশন প্রস্তুতের কাজে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি বন্ধ থাকায় চাকরিবহি সংশোধন, যোগ্যতা যাচাই এবং জ্যেষ্ঠতার ক্রম নির্ধারণে নানা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাই সব তথ্য যাচাই করে একটি নির্ভুল তালিকা প্রস্তুত করাই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

গত ২ জুন আপিল বিভাগের রায়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির সব আইনি বাধা দূর হয়। এর ফলে দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্য প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পদোন্নতি বন্ধ থাকায় গ্রেডেশন তালিকা প্রস্তুতের কাজ অত্যন্ত সংবেদনশীল। কোনো ভুল হলে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য শিক্ষকরা তাঁদের প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত ও নির্ভুলভাবে শেষ করার চেষ্টা চলছে।

এদিকে মাঠপর্যায়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রত্যাশা, প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন দ্রুত প্রকাশ করা হোক। অনেক শিক্ষক একই পদে ১২ বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তাঁদের পেশাগত অগ্রগতি দীর্ঘদিন ধরে থমকে আছে।

শিক্ষকদের মতে, হাজারো বিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। অনেক জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও পদমর্যাদা ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

তবে পদোন্নতির পাশাপাশি নতুন একটি বড় চ্যালেঞ্জও সামনে আসছে। ৩৬ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেলে সহকারী শিক্ষকের বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য হবে। বিদ্যমান শূন্যপদসহ মোট প্রায় ৩৮ হাজার ৪৩৩টি সহকারী শিক্ষক পদ খালি হয়ে যেতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাই প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতির পাশাপাশি দ্রুত নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা জরুরি। এতে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট কমবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জরুরি আপডেট: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী অধিবেশনেই? আইনমন্ত্রীর বড় ইঙ্গিত

প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি, প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় হাজারো শিক্ষক

Update Time : ০১:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। তবে কোনো যোগ্য শিক্ষক যেন অন্যায্যভাবে বঞ্চিত না হন, সে জন্য জ্যেষ্ঠতার তালিকা বা গ্রেডেশন প্রস্তুতের কাজে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি বন্ধ থাকায় চাকরিবহি সংশোধন, যোগ্যতা যাচাই এবং জ্যেষ্ঠতার ক্রম নির্ধারণে নানা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাই সব তথ্য যাচাই করে একটি নির্ভুল তালিকা প্রস্তুত করাই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

আরও পড়ুন  ওয়ালটন চাকরি ২০২৬: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে আবেদন অনলাইনে

গত ২ জুন আপিল বিভাগের রায়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির সব আইনি বাধা দূর হয়। এর ফলে দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্য প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পদোন্নতি বন্ধ থাকায় গ্রেডেশন তালিকা প্রস্তুতের কাজ অত্যন্ত সংবেদনশীল। কোনো ভুল হলে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য শিক্ষকরা তাঁদের প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত ও নির্ভুলভাবে শেষ করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন  বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস: পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় গঠনে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত

এদিকে মাঠপর্যায়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রত্যাশা, প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন দ্রুত প্রকাশ করা হোক। অনেক শিক্ষক একই পদে ১২ বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তাঁদের পেশাগত অগ্রগতি দীর্ঘদিন ধরে থমকে আছে।

শিক্ষকদের মতে, হাজারো বিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। অনেক জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও পদমর্যাদা ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন–অফলাইন ক্লাস নিয়ে সিদ্ধান্ত আসছে শিগগিরই, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

তবে পদোন্নতির পাশাপাশি নতুন একটি বড় চ্যালেঞ্জও সামনে আসছে। ৩৬ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেলে সহকারী শিক্ষকের বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য হবে। বিদ্যমান শূন্যপদসহ মোট প্রায় ৩৮ হাজার ৪৩৩টি সহকারী শিক্ষক পদ খালি হয়ে যেতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাই প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতির পাশাপাশি দ্রুত নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা জরুরি। এতে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট কমবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।