ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চট্টগ্রাম পরিচ্ছন্নতা অভিযান: মেয়রের বড় বার্তা নাগরিকদের Logo জরুরি আপডেট: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী অধিবেশনেই? আইনমন্ত্রীর বড় ইঙ্গিত Logo ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ দাবি: বড় অচলাবস্থায় মোদি সরকারের কঠোর অবস্থান Logo উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার: মহানায়ককে ঘিরে বড় ঘোষণা Logo সম্মানজনক কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা: কেবিসিসিআইয়ের নতুন উদ্যোগ Logo ফেসবুক ভেরিফাই: বিনামূল্যে ব্লু ব্যাজ পাওয়ার সহজ উপায় Logo শোভিতার রান্না: মজার পোস্টে চমক দিলেন নাগা চৈতন্য Logo সৌদি পারমাণবিক চুক্তি: ট্রাম্পের বড় সিদ্ধান্ত কেন বদলে গেল? Logo প্রাথমিক শিক্ষক পদোন্নতি, প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় হাজারো শিক্ষক Logo চিনি খাওয়া কমছে: স্বাস্থ্যসচেতনতার বড় পরিবর্তন জানুন

সম্মানজনক কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা: কেবিসিসিআইয়ের নতুন উদ্যোগ

সার্টিফিকেট অব মেরিট প্রদান অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত

কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই) নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুনকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা জানায়। অনুষ্ঠানে ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

কেবিসিসিআইয়ের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, নতুন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়াতে এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কেবিসিসিআই ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি শিল্প, প্রযুক্তি ও বাণিজ্য খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন তাঁর বক্তব্যে বলেন, গত কয়েক দশকে দক্ষিণ কোরিয়া যেভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে, বাংলাদেশও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে আরও দ্রুত অগ্রসর হতে পারে। তিনি কোরিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পাশাপাশি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং যৌথ শিল্প উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রতিনিয়ত আরও বিস্তৃত হচ্ছে। শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলে তিনি মত দেন। এ ক্ষেত্রে কেবিসিসিআইয়ের অবদানও তিনি প্রশংসার সঙ্গে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কেবিসিসিআইয়ের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খানের হাতে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সার্টিফিকেট অব মেরিট তুলে দেওয়া। নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত এই সম্মাননা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করেন। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কোরিয়ার কূটনৈতিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের হাতে স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেয় কেবিসিসিআই। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতা এবং কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। নৈশভোজ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার পারস্পরিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম পরিচ্ছন্নতা অভিযান: মেয়রের বড় বার্তা নাগরিকদের

সম্মানজনক কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা: কেবিসিসিআইয়ের নতুন উদ্যোগ

Update Time : ০২:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই) নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুনকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা জানায়। অনুষ্ঠানে ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

কেবিসিসিআইয়ের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, নতুন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়াতে এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কেবিসিসিআই ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি শিল্প, প্রযুক্তি ও বাণিজ্য খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন  ভেঙে গেল রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন

রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন তাঁর বক্তব্যে বলেন, গত কয়েক দশকে দক্ষিণ কোরিয়া যেভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে, বাংলাদেশও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে আরও দ্রুত অগ্রসর হতে পারে। তিনি কোরিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পাশাপাশি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং যৌথ শিল্প উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  হোয়াইট হাউসে হামলার সক্ষমতার দাবি ইরানের

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রতিনিয়ত আরও বিস্তৃত হচ্ছে। শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলে তিনি মত দেন। এ ক্ষেত্রে কেবিসিসিআইয়ের অবদানও তিনি প্রশংসার সঙ্গে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কেবিসিসিআইয়ের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খানের হাতে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সার্টিফিকেট অব মেরিট তুলে দেওয়া। নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত এই সম্মাননা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করেন। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কোরিয়ার কূটনৈতিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ ব্যাংক-ভুটান বৈঠক: আর্থিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনার শক্তিশালী বার্তা

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের হাতে স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেয় কেবিসিসিআই। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতা এবং কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। নৈশভোজ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার পারস্পরিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।