পূর্বশত্রুতার জেরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে এক রাতের মধ্যে একটি আমবাগানের ২৯৬টি আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাগান মালিকের কয়েক বছরের পরিশ্রম মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে এবং অন্য অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী মাজেদুল ইসলাম নবাবগঞ্জ উপজেলার বিনোদনগর ইউনিয়নের নন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কৃষি অফিসের সহযোগিতায় প্রায় চার বছর আগে ৩ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের ৩৫০টি আমের চারা রোপণ করে বাগান গড়ে তোলেন। দীর্ঘদিনের পরিচর্যায় গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে এবং এ মৌসুমে অনেক গাছে আমও ধরেছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার মধ্যরাতে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাগানের ২৯৬টি আমগাছ গোড়া থেকে কেটে ফেলে। সকালে বাগানে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যান মালিক। এক রাতেই তার কয়েক বছরের শ্রম, সময় এবং অর্থের বিনিয়োগ ধ্বংস হয়ে যায়।
বাগান মালিক মাজেদুল ইসলাম বলেন, “গাছগুলো আমার সন্তানের মতো ছিল। প্রতিটি গাছ আমি নিজের হাতে পরিচর্যা করেছি। এক রাতেই আমার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।” তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান দুলালসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতোমধ্যে প্রধান আসামি খলিলুর রহমান দুলালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, কৃষকের ঘাম ঝরানো পরিশ্রম এভাবে নষ্ট করার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তারা মনে করছেন, এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হলে ভবিষ্যতে কৃষকদের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা কমে আ




























