ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ার বড় প্রস্তাব: বাংলাদেশকে ইউরিয়া সারে প্রতি টনে ১০ ডলার কম দাম

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৮:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪৮

বাংলাদেশকে কম দামে ইউরিয়া সার সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার ইউরিয়া সার নিয়ে বাংলাদেশের জন্য এসেছে নতুন সুখবর। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের উৎপাদন ব্যয় কমাতে আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় প্রতি টনে ১০ ডলার কম দামে ইউরিয়া সার সরবরাহের আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এই সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে দেশের সার আমদানিতে ব্যয় কমার পাশাপাশি সরবরাহও আরও স্থিতিশীল হতে পারে।

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এ প্রস্তাব উঠে আসে। বৈঠকে খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা, সার সরবরাহ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টন ইউরিয়া সার সরবরাহের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, বর্তমান আমদানি মূল্যের তুলনায় কম দামে সার পাওয়া গেলে কৃষি উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

বৈঠকে শুধু সার নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া বাংলাদেশে সূর্যমুখী তেল, হলুদ মটরশুঁটি, ছোলা, লাল মসুর ডাল ও সবুজ মসুর ডাল রপ্তানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের আওতায় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও উভয় পক্ষ ইতিবাচক মত দিয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, রাশিয়ার এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থা আরও নির্ভরযোগ্য হবে, আমদানি ব্যয় কমবে এবং কৃষি খাতের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ার বড় প্রস্তাব: বাংলাদেশকে ইউরিয়া সারে প্রতি টনে ১০ ডলার কম দাম

Update Time : ০৮:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রাশিয়ার ইউরিয়া সার নিয়ে বাংলাদেশের জন্য এসেছে নতুন সুখবর। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের উৎপাদন ব্যয় কমাতে আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় প্রতি টনে ১০ ডলার কম দামে ইউরিয়া সার সরবরাহের আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এই সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে দেশের সার আমদানিতে ব্যয় কমার পাশাপাশি সরবরাহও আরও স্থিতিশীল হতে পারে।

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এ প্রস্তাব উঠে আসে। বৈঠকে খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা, সার সরবরাহ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে টনপ্রতি ১০ ডলার কমে ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টন ইউরিয়া সার সরবরাহের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, বর্তমান আমদানি মূল্যের তুলনায় কম দামে সার পাওয়া গেলে কৃষি উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

বৈঠকে শুধু সার নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া বাংলাদেশে সূর্যমুখী তেল, হলুদ মটরশুঁটি, ছোলা, লাল মসুর ডাল ও সবুজ মসুর ডাল রপ্তানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের আওতায় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও উভয় পক্ষ ইতিবাচক মত দিয়েছে।

আরও পড়ুন  যশোর বিমানবন্দরে কেন একের পর এক ফ্লাইট বন্ধ হচ্ছে?

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, রাশিয়ার এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থা আরও নির্ভরযোগ্য হবে, আমদানি ব্যয় কমবে এবং কৃষি খাতের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।