ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ের আহ্বান Logo ৪৪ রাষ্ট্রীয় শিল্প ইজারা নয়, প্রতিরোধের ডাক জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল Logo ছোট আঁচড়, বড় বিপদ! পোষা প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ঝুঁকি Logo রাকসু ভিপি সাংবাদিকদের সতর্কবার্তা দিলেন Logo চট্টগ্রাম ওয়াসা: সিস্টেম লসে ৭৮ কোটি টাকার পানি Logo আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সঞ্চয়পত্র, বাড়ছে বিনিয়োগকারীর আগ্রহ Logo কুমিল্লা মাদক ধ্বংস: বিজিবির বড় অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য Logo শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার সোনার বার উদ্ধার Logo সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত Logo ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা নিবাস কারাগারে, রিমান্ড শুনানি রবিবার

কুমিল্লা মাদক ধ্বংস: বিজিবির বড় অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫২৭

কুমিল্লায় জব্দ করা মাদকদ্রব্য ধ্বংস করছে বিজিবি | ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্যের দাবি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কুমিল্লার কোটবাড়িতে বিজিবি ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংসের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জব্দকৃত মাদক নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্যগুলো জব্দ করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে এসব মাদক ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা। অর্থাৎ বিপুল অর্থমূল্যের এসব মাদক সীমান্ত পেরিয়ে দেশের ভেতরে ঢুকতে পারলে তা মাদক ব্যবসার বিস্তার আরও বাড়াতে পারত। বিজিবির অভিযানের ফলে এসব মাদক বাজারে পৌঁছানোর আগেই জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বাহিনীর তৎপরতার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

কুমিল্লা মাদকবিরোধী বিজিবি অভিযান
সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান | ছবি: সংগৃহীত

মাদক ধ্বংসের অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি জানান, সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা তৎপর রয়েছেন। সর্বশেষ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা চারজনকে ফেরত পাঠানোর কথাও জানান তিনি। সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের এমন চেষ্টা বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বিজিবি।

কুমিল্লা মাদক চোরাচালানের পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়টিও বিজিবির নজরে রয়েছে। রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ, চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তের দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার এবং নিয়মিত টহল বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে মাদক পাচারকারীদের গতিবিধি শনাক্ত করা এবং সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

বিজিবির কর্মকর্তারা মনে করছেন, সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধ করতে শুধু অভিযান নয়, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ। কুমিল্লা মাদক চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহারের যেকোনো চেষ্টা ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করার মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতনতা বাড়ানো এবং সন্দেহজনক গতিবিধির তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা কার্যকর হতে পারে।

সব মিলিয়ে প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস এবং গত দুই মাসে ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করার তথ্য সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবির সাম্প্রতিক তৎপরতার চিত্র তুলে ধরেছে। তবে মাদক চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করতে দীর্ঘমেয়াদি নজরদারি এবং ধারাবাহিক অভিযান প্রয়োজন। এ জন্য সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার কথা জানিয়েছে বিজিবি। কুমিল্লার সীমান্তসহ সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার এলাকায় এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ের আহ্বান

কুমিল্লা মাদক ধ্বংস: বিজিবির বড় অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Update Time : ১১:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লা মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্যের দাবি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কুমিল্লার কোটবাড়িতে বিজিবি ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংসের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জব্দকৃত মাদক নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্যগুলো জব্দ করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে এসব মাদক ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা। অর্থাৎ বিপুল অর্থমূল্যের এসব মাদক সীমান্ত পেরিয়ে দেশের ভেতরে ঢুকতে পারলে তা মাদক ব্যবসার বিস্তার আরও বাড়াতে পারত। বিজিবির অভিযানের ফলে এসব মাদক বাজারে পৌঁছানোর আগেই জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বাহিনীর তৎপরতার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে মাদক-চাঁদাবাজি দমনে সিএমপির কঠোর বার্তা
কুমিল্লা মাদকবিরোধী বিজিবি অভিযান
সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান | ছবি: সংগৃহীত

মাদক ধ্বংসের অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি জানান, সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা তৎপর রয়েছেন। সর্বশেষ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা চারজনকে ফেরত পাঠানোর কথাও জানান তিনি। সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের এমন চেষ্টা বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বিজিবি।

কুমিল্লা মাদক চোরাচালানের পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়টিও বিজিবির নজরে রয়েছে। রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ, চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তের দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার এবং নিয়মিত টহল বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে মাদক পাচারকারীদের গতিবিধি শনাক্ত করা এবং সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গাদের জন্য ১ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে কানাডা

বিজিবির কর্মকর্তারা মনে করছেন, সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধ করতে শুধু অভিযান নয়, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ। কুমিল্লা মাদক চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহারের যেকোনো চেষ্টা ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করার মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতনতা বাড়ানো এবং সন্দেহজনক গতিবিধির তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা কার্যকর হতে পারে।

আরও পড়ুন  নেত্রকোনায় গাঁজাসহ কারবারি আটক

সব মিলিয়ে প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস এবং গত দুই মাসে ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করার তথ্য সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবির সাম্প্রতিক তৎপরতার চিত্র তুলে ধরেছে। তবে মাদক চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করতে দীর্ঘমেয়াদি নজরদারি এবং ধারাবাহিক অভিযান প্রয়োজন। এ জন্য সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার কথা জানিয়েছে বিজিবি। কুমিল্লার সীমান্তসহ সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার এলাকায় এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।