ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দেশের ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে ফ্রিল্যান্সার সামিটের উদ্যোগ Logo ১৪৪ ধারা জারি হবিগঞ্জে, এনসিপি-বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি Logo ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম পাকিস্তান: স্মরণীয় টেস্ট জয়ে সোবার্সকে বিশেষ শ্রদ্ধা Logo কুকুরেয়া ট্যাটু: বিশ্বকাপ জয়ের প্রতিশ্রুতির দুর্দান্ত গল্প Logo তাজা নাকি হিমায়িত ফল-সবজি, কোনটিতে বেশি পুষ্টিগুণ? Logo ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬: দিল্লির আমন্ত্রণে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, কী হতে পারে বড় বার্তা? Logo গিবত কেন বড় গুনাহ? বাঁচার ৭টি ইসলামী উপায় Logo পিসিওএস কী? নারীদের নীরব এই সমস্যার লক্ষণ, কারণ ও করণীয় Logo ২০২৭ হজ নিবন্ধন শুরু Logo সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্ক্র্যাপবাহী লরিতে হঠাৎ আগুন।

পিসিওএস কী? নারীদের নীরব এই সমস্যার লক্ষণ, কারণ ও করণীয়

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৫

পিসিওএস সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা করলে জটিলতার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) হলো নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা। প্রজননক্ষম বয়সী অনেক নারী এই সমস্যায় আক্রান্ত হলেও অনেকেই দীর্ঘদিন তা বুঝতে পারেন না। সময়মতো শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা না হলে এটি বন্ধ্যাত্ব, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

পিসিওএসে শরীরে পুরুষ হরমোন (অ্যান্ড্রোজেন) তুলনামূলক বেশি তৈরি হয়। ফলে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হতে পারে এবং নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন ব্যাহত হয়। তবে সিস্ট না থাকলেও কারও পিসিওএস থাকতে পারে।

পিসিওএসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো অনিয়মিত মাসিক বা দীর্ঘদিন মাসিক বন্ধ থাকা। এছাড়া মুখে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত লোম গজানো, ব্রণ, চুল পড়া, ওজন বেড়ে যাওয়া এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ঘাড়, বগল বা শরীরের ভাঁজে কালচে দাগও দেখা যায়, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের লক্ষণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পিসিওএসের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে বংশগত কারণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

পিসিওএস সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করলে অধিকাংশ নারী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে সফলভাবে গর্ভধারণ সম্ভব।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, মাসিক দীর্ঘদিন অনিয়মিত থাকলে, অতিরিক্ত ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি বা গর্ভধারণে সমস্যা হলে দেরি না করে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজে থেকে হরমোনের ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে ফ্রিল্যান্সার সামিটের উদ্যোগ

পিসিওএস কী? নারীদের নীরব এই সমস্যার লক্ষণ, কারণ ও করণীয়

Update Time : ১১:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) হলো নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা। প্রজননক্ষম বয়সী অনেক নারী এই সমস্যায় আক্রান্ত হলেও অনেকেই দীর্ঘদিন তা বুঝতে পারেন না। সময়মতো শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা না হলে এটি বন্ধ্যাত্ব, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

পিসিওএসে শরীরে পুরুষ হরমোন (অ্যান্ড্রোজেন) তুলনামূলক বেশি তৈরি হয়। ফলে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হতে পারে এবং নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন ব্যাহত হয়। তবে সিস্ট না থাকলেও কারও পিসিওএস থাকতে পারে।

আরও পড়ুন  পাকা চুল কি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে? নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য

পিসিওএসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো অনিয়মিত মাসিক বা দীর্ঘদিন মাসিক বন্ধ থাকা। এছাড়া মুখে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত লোম গজানো, ব্রণ, চুল পড়া, ওজন বেড়ে যাওয়া এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ঘাড়, বগল বা শরীরের ভাঁজে কালচে দাগও দেখা যায়, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের লক্ষণ হতে পারে।

আরও পড়ুন  ঘুমের মধ্যে পড়ে যাওয়ার অনুভূতি কেন হয়? জানুন কারণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, পিসিওএসের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে বংশগত কারণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

পিসিওএস সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করলে অধিকাংশ নারী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে সফলভাবে গর্ভধারণ সম্ভব।

আরও পড়ুন  হটস্পট ৩০ উপজেলায় হামের সংক্রমণ কমেছে দ্রুত

চিকিৎসকদের পরামর্শ, মাসিক দীর্ঘদিন অনিয়মিত থাকলে, অতিরিক্ত ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি বা গর্ভধারণে সমস্যা হলে দেরি না করে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজে থেকে হরমোনের ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।