ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

গর্বের সাফল্য: বাংলাদেশি গবেষক দলের কোডিং ফেস্ট ২০২৬ চ্যাম্পিয়ন অর্জন

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩৩

আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের গর্বের অর্জন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি গবেষক দল আবারও বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সিডনি আয়োজিত কোডিং ফেস্ট ২০২৬-এ ‘বেস্ট প্রজেক্ট ইন এআই ফর এডুকেশন’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির একদল তরুণ গবেষক। ‘শিখাই’ নামের উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক এই সম্মান অর্জন করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি গবেষক দল শুধু একটি পুরস্কারই জেতেনি, বরং আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে নিজেদের দক্ষতারও শক্ত বার্তা দিয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চারটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয় এবং উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—সবগুলোই সম্মেলনে গৃহীত হয়েছে।

পুরস্কারজয়ী গবেষণাপত্র ‘শিখাই’-এর গবেষক ছিলেন এমডি. তাহসান ইসলাম, এমডি. তানজিম আলম তাসিন, সৌরভ চন্দ্র দাস এবং এমডি. আশরাফুজ্জামান। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাডুকেশন টেকনোলজি এবং ডিপার্টমেন্ট অব আইওটি অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী হিসেবে কাজ করছেন। তাদের এই অর্জন দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণার অগ্রগতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

দলের অন্য গবেষণা প্রকল্পগুলোর মধ্যেও ছিল ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর নানা উদ্ভাবন। এর মধ্যে ইইজি সিগন্যালভিত্তিক নিউরো-সিম্বলিক এআই সহায়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্লকচেইননির্ভর নিরাপদ ই-ভোটিং সিস্টেম এবং পরিবেশবান্ধব আইওটি-ভিত্তিক স্মার্ট কৃষি সমাধান বিশেষভাবে প্রশংসা পেয়েছে। এসব গবেষণা বাস্তব জীবনে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোক্তার আলী গবেষক দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সম্পৃক্ততার ইতিবাচক প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাফল্য দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

পুরস্কার গ্রহণের পর গবেষক সৌরভ চন্দ্র দাস বলেন, এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত বা একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও প্রযুক্তি গবেষণার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তাদের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের গবেষকদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জিপিএ-৫ পাওয়া রৌশনীকে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা দিলেন মোহাম্মদ মহসিন

গর্বের সাফল্য: বাংলাদেশি গবেষক দলের কোডিং ফেস্ট ২০২৬ চ্যাম্পিয়ন অর্জন

Update Time : ০৪:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশি গবেষক দল আবারও বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সিডনি আয়োজিত কোডিং ফেস্ট ২০২৬-এ ‘বেস্ট প্রজেক্ট ইন এআই ফর এডুকেশন’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির একদল তরুণ গবেষক। ‘শিখাই’ নামের উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক এই সম্মান অর্জন করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি গবেষক দল শুধু একটি পুরস্কারই জেতেনি, বরং আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে নিজেদের দক্ষতারও শক্ত বার্তা দিয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চারটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয় এবং উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—সবগুলোই সম্মেলনে গৃহীত হয়েছে।

আরও পড়ুন  মজুরি থেকে কর : জুলাইয়ে বদলাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

পুরস্কারজয়ী গবেষণাপত্র ‘শিখাই’-এর গবেষক ছিলেন এমডি. তাহসান ইসলাম, এমডি. তানজিম আলম তাসিন, সৌরভ চন্দ্র দাস এবং এমডি. আশরাফুজ্জামান। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাডুকেশন টেকনোলজি এবং ডিপার্টমেন্ট অব আইওটি অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী হিসেবে কাজ করছেন। তাদের এই অর্জন দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণার অগ্রগতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

দলের অন্য গবেষণা প্রকল্পগুলোর মধ্যেও ছিল ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর নানা উদ্ভাবন। এর মধ্যে ইইজি সিগন্যালভিত্তিক নিউরো-সিম্বলিক এআই সহায়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্লকচেইননির্ভর নিরাপদ ই-ভোটিং সিস্টেম এবং পরিবেশবান্ধব আইওটি-ভিত্তিক স্মার্ট কৃষি সমাধান বিশেষভাবে প্রশংসা পেয়েছে। এসব গবেষণা বাস্তব জীবনে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন  ভারতে শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতার জন্য দায়ী কে?

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোক্তার আলী গবেষক দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সম্পৃক্ততার ইতিবাচক প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাফল্য দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

পুরস্কার গ্রহণের পর গবেষক সৌরভ চন্দ্র দাস বলেন, এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত বা একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও প্রযুক্তি গবেষণার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তাদের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের গবেষকদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন  স্ক্রিন টাইম কি সবসময় ক্ষতিকর? মিলল নতুন তথ্য