ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সাফের ড্র সম্পন্ন: বাংলাদেশের গ্রুপে কারা, জানুন পুরো চিত্র

বাংলাদেশ ফুটবল দল

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং স্বাগতিক বাংলাদেশ জায়গা পেয়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে। ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত ড্র অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ফুটবল টুর্নামেন্ট।

এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ছয়টি দল অংশ নেবে। সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে। ঘরের মাঠে খেলায় বাংলাদেশের সামনে দীর্ঘদিনের শিরোপা খরা কাটানোর বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের প্রত্যাশাও তাই অনেক বেশি।

গ্রুপ ‘এ’-তে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’-তে জায়গা পেয়েছে বর্তমান অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী দল ভারত। তাদের সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। ফলে দুই গ্রুপেই জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

তবে টুর্নামেন্টের দলসংখ্যায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও এখনও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী দল নেপাল বর্তমানে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছে না। এ কারণে ড্রয়ের সময় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

জানা গেছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নেপাল যদি ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হতে পারে, তাহলে তাদের টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে নেপালকে গ্রুপ ‘এ’-তে যুক্ত করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি সাফ কর্তৃপক্ষ।

প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপের দলগুলো একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নেবে। এরপর শুরু হবে শিরোপার পথে নকআউট লড়াই।

সেমি-ফাইনালে গ্রুপ ‘এ’-এর রানার্সআপ মুখোমুখি হবে গ্রুপ ‘বি’-এর চ্যাম্পিয়নের। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’-এর রানার্সআপ খেলবে গ্রুপ ‘এ’-এর শীর্ষ দলের বিপক্ষে। দুই সেমি-ফাইনালের বিজয়ীরা ফাইনালে উঠে শিরোপার জন্য লড়বে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একবারই শিরোপা জিতেছে। ২০০৩ সালে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের স্বপ্ন পূরণ করে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপর আর ট্রফি ঘরে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ।

এবারের আসর বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে আরও একটি কারণে। প্রায় আট বছর পর আবারও ঢাকায় ফিরছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ঘরের মাঠে সমর্থকদের উপস্থিতি ও পরিচিত পরিবেশ কাজে লাগিয়ে ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চায় বাংলাদেশ দল।

সাফের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। তারা এখন পর্যন্ত রেকর্ড ৯ বার শিরোপা জিতেছে। এছাড়া মালদ্বীপ দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান একবার করে ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছে। ফলে এবারের আসরেও ভারতকে অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জিমি বাংলাদেশের মেসি: চমকপ্রদ মন্তব্য করলেন গেরহার্ড

সাফের ড্র সম্পন্ন: বাংলাদেশের গ্রুপে কারা, জানুন পুরো চিত্র

Update Time : ০৭:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং স্বাগতিক বাংলাদেশ জায়গা পেয়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে। ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত ড্র অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ফুটবল টুর্নামেন্ট।

এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ছয়টি দল অংশ নেবে। সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে। ঘরের মাঠে খেলায় বাংলাদেশের সামনে দীর্ঘদিনের শিরোপা খরা কাটানোর বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের প্রত্যাশাও তাই অনেক বেশি।

গ্রুপ ‘এ’-তে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’-তে জায়গা পেয়েছে বর্তমান অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী দল ভারত। তাদের সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। ফলে দুই গ্রুপেই জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  তরুণ ক্রীড়াবিদ তৈরিতে নতুন উদ্যোগ, খেলাধুলায় বাড়ছে সরকারি সহায়তা

তবে টুর্নামেন্টের দলসংখ্যায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও এখনও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী দল নেপাল বর্তমানে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছে না। এ কারণে ড্রয়ের সময় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

জানা গেছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নেপাল যদি ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হতে পারে, তাহলে তাদের টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে নেপালকে গ্রুপ ‘এ’-তে যুক্ত করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি সাফ কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপ ফাইনাল ফের হবে? যা বললেন পোরো

প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপের দলগুলো একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নেবে। এরপর শুরু হবে শিরোপার পথে নকআউট লড়াই।

সেমি-ফাইনালে গ্রুপ ‘এ’-এর রানার্সআপ মুখোমুখি হবে গ্রুপ ‘বি’-এর চ্যাম্পিয়নের। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’-এর রানার্সআপ খেলবে গ্রুপ ‘এ’-এর শীর্ষ দলের বিপক্ষে। দুই সেমি-ফাইনালের বিজয়ীরা ফাইনালে উঠে শিরোপার জন্য লড়বে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একবারই শিরোপা জিতেছে। ২০০৩ সালে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের স্বপ্ন পূরণ করে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপর আর ট্রফি ঘরে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন  রেকর্ডগড়া গোলে তুরস্ককে বিদায় করে নকআউটের লড়াইয়ে প্যারাগুয়ে

এবারের আসর বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে আরও একটি কারণে। প্রায় আট বছর পর আবারও ঢাকায় ফিরছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ঘরের মাঠে সমর্থকদের উপস্থিতি ও পরিচিত পরিবেশ কাজে লাগিয়ে ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চায় বাংলাদেশ দল।

সাফের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। তারা এখন পর্যন্ত রেকর্ড ৯ বার শিরোপা জিতেছে। এছাড়া মালদ্বীপ দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান একবার করে ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছে। ফলে এবারের আসরেও ভারতকে অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।