ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিফা আসিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ যারা

বাংলাদেশ ফুটবল দল

আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১ এ খেলবে বাংলাদেশ। ভারতের জায়গায় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) অনুমোদন দিয়েছে ফিফা। আজ বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারত টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তাদের জায়গায় খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ পর্যন্ত ফিফার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল বাফুফে। সেই অনুমোদন পাওয়ার পরই হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়াদের সামনে খুলে গেল আন্তর্জাতিক ফুটবলে আরও কয়েকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ।

ফিফার অর্থায়নে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১। আটটি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে হবে প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ পড়েছে ‘এ’ গ্রুপে। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

টুর্নামেন্টে শুধু গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ নয়, প্রতিটি দলের জন্য আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে। গ্রুপের অবস্থান অনুযায়ী হবে প্লেসমেন্ট ম্যাচ। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে ফাইনালে, আর রানার্সআপ দলগুলো মুখোমুখি হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে।

একইভাবে দুই গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দল খেলবে পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। চতুর্থ হওয়া দলগুলোর মধ্যে হবে সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ফলে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলের জন্যই অন্তত চারটি ম্যাচ নিশ্চিত থাকছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বল্পতার সময়ে বাংলাদেশের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার কারণে বাফুফেকে বড় ধরনের আর্থিক চাপও নিতে হবে না। আয়োজকেরা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসনের খরচ বহন করবে। পাশাপাশি প্রতিটি দলকে অংশগ্রহণ বাবদ অর্থও দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য টুর্নামেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে আরেকটি কারণে। আগামী নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তার আগে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সুযোগ জাতীয় দলের প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

হামজা-জামালদের জন্য তাই ফিফা আসিয়ান কাপ হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার বড় মঞ্চ। প্রতিযোগিতার ম্যাচগুলো কাজে লাগিয়ে দলটি নিজেদের কৌশল, সমন্বয় ও প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তুতি আরও উন্নত করার সুযোগ পাবে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে এটি বাংলাদেশের জন্য বাড়তি প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিফা আসিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ যারা

Update Time : ০৯:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১ এ খেলবে বাংলাদেশ। ভারতের জায়গায় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) অনুমোদন দিয়েছে ফিফা। আজ বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারত টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তাদের জায়গায় খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ পর্যন্ত ফিফার আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল বাফুফে। সেই অনুমোদন পাওয়ার পরই হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়াদের সামনে খুলে গেল আন্তর্জাতিক ফুটবলে আরও কয়েকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপের হতাশা ভুলে জোড়া গোলে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন নেইমারের

ফিফার অর্থায়নে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১। আটটি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে হবে প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ পড়েছে ‘এ’ গ্রুপে। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

টুর্নামেন্টে শুধু গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ নয়, প্রতিটি দলের জন্য আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে। গ্রুপের অবস্থান অনুযায়ী হবে প্লেসমেন্ট ম্যাচ। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে ফাইনালে, আর রানার্সআপ দলগুলো মুখোমুখি হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে।

একইভাবে দুই গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দল খেলবে পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। চতুর্থ হওয়া দলগুলোর মধ্যে হবে সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ফলে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলের জন্যই অন্তত চারটি ম্যাচ নিশ্চিত থাকছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বল্পতার সময়ে বাংলাদেশের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

আরও পড়ুন  সাফের ড্র সম্পন্ন: বাংলাদেশের গ্রুপে কারা, জানুন পুরো চিত্র

এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার কারণে বাফুফেকে বড় ধরনের আর্থিক চাপও নিতে হবে না। আয়োজকেরা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসনের খরচ বহন করবে। পাশাপাশি প্রতিটি দলকে অংশগ্রহণ বাবদ অর্থও দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য টুর্নামেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে আরেকটি কারণে। আগামী নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তার আগে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সুযোগ জাতীয় দলের প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

আরও পড়ুন  মেসি সর্বকালের সেরা: বিতর্ক কি এখনও আছে?

হামজা-জামালদের জন্য তাই ফিফা আসিয়ান কাপ হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার বড় মঞ্চ। প্রতিযোগিতার ম্যাচগুলো কাজে লাগিয়ে দলটি নিজেদের কৌশল, সমন্বয় ও প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তুতি আরও উন্নত করার সুযোগ পাবে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে এটি বাংলাদেশের জন্য বাড়তি প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।