ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৭১১ কোটি রুপিতে পুরো আবাসিক টাওয়ার কিনলেন দীনেশ ঠক্কর Logo উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা বাড়ানোর সুপারিশ Logo ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির শঙ্কা Logo কাজিপুরে আফজাল হোসেন স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত Logo গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল গাজীপুর Logo উত্তরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা Logo ইউপি নির্বাচনের নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত, হুমকি দিলে শাস্তি Logo আসিয়ান কাপের প্রতিপক্ষ নিয়ে হামজা বললেন, ‘কাউকে ভয় পেতে আসিনি’ Logo নার্সিং কর্মীদের পদোন্নতির প্রস্তুতি শুরু, কাগজ জমার শেষ সময় জানাল অধিদপ্তর Logo বখাটের হামলায় দাঁত ভেঙে হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে স্কুলছাত্রী

দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যাটিং ধস, বড় হারে শুরু বাংলাদেশের

বাংলাদেশ ইমার্জিং দল

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে হতাশাজনক শুরু করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং ক্রিকেট দল। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের কাছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ ১০০ রানও স্পর্শ করতে পারেনি। ফলে সহজ জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রিটোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা সফরকারীরা কোনো সময়ই বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩০.২ ওভারেই গুটিয়ে যায় পুরো দল।

বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে একমাত্র লড়াই করেন মাহফিজুল ইসলাম। ৭৩ বল মোকাবিলা করে ৪০ রান করেন তিনি। ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যাটিং করলেও অন্য প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাননি এই তরুণ ব্যাটার।

দলের হয়ে দুই অঙ্কের রান করতে পেরেছেন আর মাত্র দুজন ক্রিকেটার। আমিনুল ইসলাম ২৩ বলে ১১ রান করেন। এছাড়া সামিউন বাসির ১১ বলে ১০ রান যোগ করেন। তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা বাংলাদেশের ইনিংসকে আরও দুর্বল করে তোলে।

বিশেষ করে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। তিনি ২৮ বল খেলে মাত্র ২ রান করে আউট হন। দলের বেশ কয়েকজন ব্যাটার দ্রুত সাজঘরে ফেরায় রান তোলার গতি যেমন কমে যায়, তেমনি বড় সংগ্রহের সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা শুরু থেকেই দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। দলের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন দায়ান গালিম। তিনি মাত্র ১৮ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কার্যত অসহায় হয়ে পড়েন।

এছাড়া অ্যান্ডিলে মগাকানে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নেন। নতুন বলে এবং মাঝের ওভারে স্বাগতিক বোলারদের ধারাবাহিক আক্রমণ বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। ফলে মাত্র ৮৯ রানের ছোট লক্ষ্য দাঁড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে।

জবাব দিতে নেমে কোনো ধরনের চাপই অনুভব করতে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলকে। শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিং করে তারা দ্রুত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। মাত্র ১৮.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন রিচার্ড সেলেতসোয়ান। এছাড়া ড্যানিয়েল স্মিথ ২২ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে এম ভন বুরেন ১৮ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে বল হাতে কিছুটা সাফল্য পান চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান। তিনি দুটি উইকেট শিকার করেন। তবে ছোট সংগ্রহ রক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত রান না থাকায় তার এই সাফল্যও শেষ পর্যন্ত দলের পরাজয় এড়াতে পারেনি। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ব্যাটিং বিভাগে বড় উন্নতি আনতেই হবে বাংলাদেশকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৭১১ কোটি রুপিতে পুরো আবাসিক টাওয়ার কিনলেন দীনেশ ঠক্কর

দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যাটিং ধস, বড় হারে শুরু বাংলাদেশের

Update Time : ০৮:৫০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে হতাশাজনক শুরু করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং ক্রিকেট দল। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের কাছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ ১০০ রানও স্পর্শ করতে পারেনি। ফলে সহজ জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রিটোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা সফরকারীরা কোনো সময়ই বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩০.২ ওভারেই গুটিয়ে যায় পুরো দল।

বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে একমাত্র লড়াই করেন মাহফিজুল ইসলাম। ৭৩ বল মোকাবিলা করে ৪০ রান করেন তিনি। ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যাটিং করলেও অন্য প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাননি এই তরুণ ব্যাটার।

আরও পড়ুন  কেন ব্রাজিলের জন্য আতঙ্ক নরওয়ে?

দলের হয়ে দুই অঙ্কের রান করতে পেরেছেন আর মাত্র দুজন ক্রিকেটার। আমিনুল ইসলাম ২৩ বলে ১১ রান করেন। এছাড়া সামিউন বাসির ১১ বলে ১০ রান যোগ করেন। তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা বাংলাদেশের ইনিংসকে আরও দুর্বল করে তোলে।

বিশেষ করে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। তিনি ২৮ বল খেলে মাত্র ২ রান করে আউট হন। দলের বেশ কয়েকজন ব্যাটার দ্রুত সাজঘরে ফেরায় রান তোলার গতি যেমন কমে যায়, তেমনি বড় সংগ্রহের সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন  মেসির জাদুতে অবিশ্বাস্য জয়, মন্ট্রিয়ালকে উড়িয়ে দিল মায়ামি

দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা শুরু থেকেই দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। দলের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন দায়ান গালিম। তিনি মাত্র ১৮ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কার্যত অসহায় হয়ে পড়েন।

এছাড়া অ্যান্ডিলে মগাকানে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নেন। নতুন বলে এবং মাঝের ওভারে স্বাগতিক বোলারদের ধারাবাহিক আক্রমণ বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। ফলে মাত্র ৮৯ রানের ছোট লক্ষ্য দাঁড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে।

জবাব দিতে নেমে কোনো ধরনের চাপই অনুভব করতে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলকে। শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিং করে তারা দ্রুত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। মাত্র ১৮.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন  ২৮ বছর পর ফিরেই বাজিমাত! ব্রাজিলকে টপকে গ্রুপসেরা স্কটল্যান্ড

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন রিচার্ড সেলেতসোয়ান। এছাড়া ড্যানিয়েল স্মিথ ২২ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে এম ভন বুরেন ১৮ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে বল হাতে কিছুটা সাফল্য পান চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান। তিনি দুটি উইকেট শিকার করেন। তবে ছোট সংগ্রহ রক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত রান না থাকায় তার এই সাফল্যও শেষ পর্যন্ত দলের পরাজয় এড়াতে পারেনি। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ব্যাটিং বিভাগে বড় উন্নতি আনতেই হবে বাংলাদেশকে।