ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নিকুঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান, দখলমুক্ত বিআরটিসি-সংলগ্ন সার্ভিস রোড

নিকুঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান, দখলমুক্ত বিআরটিসি-সংলগ্ন সার্ভিস রোড - ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-১-এর ২ নম্বর গেট ও বিআরটিসি-সংলগ্ন সার্ভিস রোডের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ ভাসমান দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

বুধবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও মারুফা বেগম নেলির নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সার্ভিস রোডের পাশে অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছিল। দোকানের সামনে মালামাল রাখা ও যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখায় সড়কটি সংকুচিত হয়ে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

উচ্ছেদ অভিযানের পর গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস রোডটির পাশের অংশ দখলমুক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে এর আগে একাধিকবার উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শুধু উচ্ছেদ নয়, ভবিষ্যতে যাতে আবারও সরকারি জায়গা দখল না হয়, সেজন্য নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জাহিদ ইকবাল বলেন, দীর্ঘদিনের দাবির পর ডিএনসিসির এই অভিযানকে স্বাগত জানাই। তবে উচ্ছেদের পর জায়গাটি যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা কারও জীবিকার বিরুদ্ধে নই, আমরা অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে। মানবিকতা ও আইনের সমন্বয়ে স্থায়ী সমাধান চাই।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উচ্ছেদ করা জায়গায় নিয়মিত নজরদারি চালিয়ে সার্ভিস রোডটি স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লা লিগার রেকর্ড: যে অবিশ্বাস্য কীর্তি ভাঙা কঠিন

নিকুঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান, দখলমুক্ত বিআরটিসি-সংলগ্ন সার্ভিস রোড

Update Time : ০৯:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-১-এর ২ নম্বর গেট ও বিআরটিসি-সংলগ্ন সার্ভিস রোডের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ ভাসমান দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

বুধবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও মারুফা বেগম নেলির নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সার্ভিস রোডের পাশে অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছিল। দোকানের সামনে মালামাল রাখা ও যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখায় সড়কটি সংকুচিত হয়ে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

উচ্ছেদ অভিযানের পর গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস রোডটির পাশের অংশ দখলমুক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে এর আগে একাধিকবার উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শুধু উচ্ছেদ নয়, ভবিষ্যতে যাতে আবারও সরকারি জায়গা দখল না হয়, সেজন্য নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

নিকুঞ্জ টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জাহিদ ইকবাল বলেন, দীর্ঘদিনের দাবির পর ডিএনসিসির এই অভিযানকে স্বাগত জানাই। তবে উচ্ছেদের পর জায়গাটি যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা কারও জীবিকার বিরুদ্ধে নই, আমরা অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে। মানবিকতা ও আইনের সমন্বয়ে স্থায়ী সমাধান চাই।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উচ্ছেদ করা জায়গায় নিয়মিত নজরদারি চালিয়ে সার্ভিস রোডটি স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখা হবে।