দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে কমিশনের দুই সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম খান ও মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া। সোমবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন নিয়োগের ফলে দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নতুন দায়িত্বশীলরা যুক্ত হলেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান এবং জাহাঙ্গীর আলম খান ও মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
দুদক দেশের দুর্নীতি প্রতিরোধ, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট আইনি কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা একটি সাংবিধানিক সংস্থা নয়, বরং আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন কমিশন। সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনায় চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগের মধ্য দিয়ে কমিশনের নেতৃত্বে পরিবর্তন এলো।
প্রজ্ঞাপনে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বেতন, ভাতা ও পদমর্যাদার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতির সমান বেতন-ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা পাবেন। আর দুই কমিশনার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতির সমান বেতন-ভাতা ও পদমর্যাদা পাবেন।
দুদকের চেয়ারম্যান পদটি সংস্থাটির সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল পদ। কমিশনের নীতিগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে চেয়ারম্যানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। একইভাবে কমিশনাররাও কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বিভিন্ন কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে নতুন তিনজনের নিয়োগ দুদকের নিয়মিত কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্ব নিশ্চিত করল।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের পাশাপাশি চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সুযোগ-সুবিধা ও পদমর্যাদার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। তবে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, সে বিষয়ে এই তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত কোনো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নেই।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এখন দুদকের নতুন কমিশন দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম খান ও মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।



























