ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাস্টারশেফ ইউকেতে পেঁয়াজু দিয়ে বাজিমাত করলেন সাবিনা খান , MasterChef UK 2026

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৬৪

সাবিনা খানের তৈরি পেঁয়াজু |

মাস্টারশেফ ইউকেতে পেঁয়াজু দিয়ে সাবিনা খান বিচারকদের মুগ্ধ করে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছেন। তার সৃজনশীল রান্না ও টেকসই ভাবনা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গৌরব বাড়াচ্ছে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার যাত্রার শুরুতেই একটি পরিচিত বাংলাদেশি খাবার, পেঁয়াজু পরিবেশন করেন। ডাল ও পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি এই সাধারণ খাবারটিকেই তিনি নতুনভাবে উপস্থাপন করেন।

ব্রিটিশ বিচারকরা পেঁয়াজ ভাজি বা ডাল বড়া খেয়েছেন, কিন্তু এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি এমন স্বাদ আগে কখনো পাননি। ফলাফল হিসেবে তিনি সহজেই পরবর্তী রাউন্ডে জায়গা করে নেন।

এই মুহূর্তটি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান: পেঁয়াজু দিয়ে বিশ্বমঞ্চ জয় MasterChef UK-এর ২০২৬ সালের আসরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রতিযোগী Sabina Khan। “মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান” এখন শুধু একটি নাম নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে গর্ব, সৃজনশীলতা ও ঐতিহ্যের প্রতীক।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই তিনি প্রমাণ করেছেন বাংলাদেশি খাবারের স্বাদ বিশ্বমঞ্চেও সমানভাবে সমাদৃত হতে পারে। বিশেষ করে তার তৈরি পেঁয়াজু বিচারকদের এতটাই মুগ্ধ করেছে যে তারা এটিকে “Bullets of Joy” নামে অভিহিত করেছেন।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার যাত্রার শুরুতেই একটি পরিচিত বাংলাদেশি খাবার, পেঁয়াজু পরিবেশন করেন। ডাল ও পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি এই সাধারণ খাবারটিকেই তিনি নতুনভাবে উপস্থাপন করেন।

ব্রিটিশ বিচারকরা পেঁয়াজ ভাজি বা ডাল বড়া খেয়েছেন, কিন্তু এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি এমন স্বাদ আগে কখনো পাননি। ফলাফল হিসেবে তিনি সহজেই পরবর্তী রাউন্ডে জায়গা করে নেন।

এই মুহূর্তটি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান
মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার তৈরি পেঁয়াজু পরিবেশন করছেন

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান শুধু প্রথম রাউন্ডেই নয়, কোয়ার্টার ফাইনালেও অসাধারণ সৃজনশীলতা দেখিয়েছেন।

তিনি ‘Harmony Salad’ নামে একটি অনন্য ডিশ তৈরি করেন, যেখানে ছিল

  • ফালাফেল
  • কালা চানা
  • কোয়েল ডিম
  • পিকলড বিটরুট
  • সরিষার তেলের ড্রেসিং
  • মুড়ি

এই খাবারের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে বিভিন্ন দেশের খাবার এক প্লেটে মিলেমিশে নতুন স্বাদ তৈরি করতে পারে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান নিজেকে “Global Flavor Explorer” হিসেবে পরিচয় দেন। তার জীবনের অভিজ্ঞতাই তার রান্নার মূল শক্তি।

  • জন্ম: বাংলাদেশ
  • পড়াশোনা: ভারত
  • উচ্চশিক্ষা: যুক্তরাষ্ট্র
  • বসবাস: যুক্তরাজ্য

এই বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা তার রান্নায় বৈচিত্র্য এনে দিয়েছে।

তিনি বিশ্বাস করেন : খাবার শুধু স্বাদ নয়, এটি মানুষের সংযোগের মাধ্যম।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খানের রান্নার মূল অনুপ্রেরণা তার মা। ছোটবেলা থেকেই তিনি মায়ের হাতের রান্না খেয়ে বড় হয়েছেন।

তার মা ঘরেই তৈরি করতেন—

  • বিরিয়ানি
  • কাবাব
  • কেক
  • পেস্ট্রি
  • এমনকি পিৎজাও

এই অভিজ্ঞতা থেকেই তার মধ্যে রান্নার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়।

সাবিনা তার রান্নাঘরকে শুধু রান্নার জায়গা হিসেবে দেখেন না, বরং এটিকে তিনি “Flavor Lab” বলেন।

এখানে তিনি নিয়মিত নতুন নতুন রেসিপি নিয়ে পরীক্ষা করেন। ভুল করলে আবার শুরু করেন, এটাই তার শেখার প্রক্রিয়া।

এই চিন্তাভাবনা তাকে অন্য প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করেছে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান শুধু স্বাদের দিকেই নয়, টেকসই জীবনযাপনেও গুরুত্ব দেন।

তিনি একজন পরিবেশ পরামর্শক হওয়ায় রান্নাতেও এই বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

তার কিছু অভ্যাস:

  • খাবার অপচয় না করা
  • মুরগির সব অংশ ব্যবহার করা
  • হাড় দিয়ে স্টক তৈরি করা
  • অবশিষ্ট খাবার দিয়ে নতুন ডিশ তৈরি

তিনি বলেন, এই অভ্যাস আসলে বাংলাদেশি সংস্কৃতির অংশ।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান পেঁয়াজু
মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান পেঁয়াজু

১৬ বছর আগে সাবিনা প্রথমবার মাস্টারশেফে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে তখন অংশ নিতে পারেননি।

২০২৬ সালে তিনি আবার সুযোগ পান, এবার তার সন্তানদের উৎসাহে।

তিনি এই সুযোগকে জীবনের একটি বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখেন।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার রান্না দিয়ে বিচারকদের মন জয় করেছেন।

একজন বিচারক তার পেঁয়াজুকে “Bullets of Joy” বলে উল্লেখ করেন।

আরেকজন বলেন:
তার খাবারে প্রতিটি উপাদানের স্বাদ আলাদাভাবে অনুভব করা যায়, আবার সব মিলিয়ে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খানের সাফল্য বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন।

তিনি প্রমাণ করেছেন: 
বাংলাদেশি খাবার শুধু স্থানীয় নয়, আন্তর্জাতিক মানেরও হতে পারে।

বিশেষ করে পেঁয়াজুর মতো সাধারণ খাবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেওয়া একটি অনন্য ঘটনা।

সাবিনা শুধু প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ থাকতে চান না।

তার পরিকল্পনা:

  • একটি রান্নার বই লেখা
  • ফুড সিরিজ তৈরি করা
  • খাবারের ইতিহাস নিয়ে কাজ করা

তিনি চান তার কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতির খাবারকে একত্রে তুলে ধরতে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান বিশেষভাবে বাংলাদেশি নারীদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন।

তিনি বলেন : 
বাংলাদেশের অনেক নারী অসাধারণ রান্না জানেন, কিন্তু সেটিকে পেশা হিসেবে নেন না।

তিনি তাদের উৎসাহ দেন

  • শেফ হওয়ার জন্য
  • ক্যাটারিং ব্যবসা শুরু করার জন্য

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান শুধু একজন প্রতিযোগী নন. তিনি একটি অনুপ্রেরণা।

তার গল্প আমাদের শেখায়,
স্বপ্ন কখনো দেরিতে হলেও সত্যি হতে পারে।

আর একটি সাধারণ পেঁয়াজুও বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস তৈরি করতে পারে, যদি সেখানে থাকে ভালোবাসা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাস্টারশেফ ইউকেতে পেঁয়াজু দিয়ে বাজিমাত করলেন সাবিনা খান , MasterChef UK 2026

Update Time : ১০:০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মাস্টারশেফ ইউকেতে পেঁয়াজু দিয়ে সাবিনা খান বিচারকদের মুগ্ধ করে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছেন। তার সৃজনশীল রান্না ও টেকসই ভাবনা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গৌরব বাড়াচ্ছে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার যাত্রার শুরুতেই একটি পরিচিত বাংলাদেশি খাবার, পেঁয়াজু পরিবেশন করেন। ডাল ও পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি এই সাধারণ খাবারটিকেই তিনি নতুনভাবে উপস্থাপন করেন।

ব্রিটিশ বিচারকরা পেঁয়াজ ভাজি বা ডাল বড়া খেয়েছেন, কিন্তু এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি এমন স্বাদ আগে কখনো পাননি। ফলাফল হিসেবে তিনি সহজেই পরবর্তী রাউন্ডে জায়গা করে নেন।

এই মুহূর্তটি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান: পেঁয়াজু দিয়ে বিশ্বমঞ্চ জয় MasterChef UK-এর ২০২৬ সালের আসরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রতিযোগী Sabina Khan। “মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান” এখন শুধু একটি নাম নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে গর্ব, সৃজনশীলতা ও ঐতিহ্যের প্রতীক।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই তিনি প্রমাণ করেছেন বাংলাদেশি খাবারের স্বাদ বিশ্বমঞ্চেও সমানভাবে সমাদৃত হতে পারে। বিশেষ করে তার তৈরি পেঁয়াজু বিচারকদের এতটাই মুগ্ধ করেছে যে তারা এটিকে “Bullets of Joy” নামে অভিহিত করেছেন।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার যাত্রার শুরুতেই একটি পরিচিত বাংলাদেশি খাবার, পেঁয়াজু পরিবেশন করেন। ডাল ও পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি এই সাধারণ খাবারটিকেই তিনি নতুনভাবে উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন  তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হতে চান

ব্রিটিশ বিচারকরা পেঁয়াজ ভাজি বা ডাল বড়া খেয়েছেন, কিন্তু এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি এমন স্বাদ আগে কখনো পাননি। ফলাফল হিসেবে তিনি সহজেই পরবর্তী রাউন্ডে জায়গা করে নেন।

এই মুহূর্তটি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান
মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার তৈরি পেঁয়াজু পরিবেশন করছেন

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান শুধু প্রথম রাউন্ডেই নয়, কোয়ার্টার ফাইনালেও অসাধারণ সৃজনশীলতা দেখিয়েছেন।

তিনি ‘Harmony Salad’ নামে একটি অনন্য ডিশ তৈরি করেন, যেখানে ছিল

  • ফালাফেল
  • কালা চানা
  • কোয়েল ডিম
  • পিকলড বিটরুট
  • সরিষার তেলের ড্রেসিং
  • মুড়ি

এই খাবারের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে বিভিন্ন দেশের খাবার এক প্লেটে মিলেমিশে নতুন স্বাদ তৈরি করতে পারে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান নিজেকে “Global Flavor Explorer” হিসেবে পরিচয় দেন। তার জীবনের অভিজ্ঞতাই তার রান্নার মূল শক্তি।

  • জন্ম: বাংলাদেশ
  • পড়াশোনা: ভারত
  • উচ্চশিক্ষা: যুক্তরাষ্ট্র
  • বসবাস: যুক্তরাজ্য

এই বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা তার রান্নায় বৈচিত্র্য এনে দিয়েছে।

তিনি বিশ্বাস করেন : খাবার শুধু স্বাদ নয়, এটি মানুষের সংযোগের মাধ্যম।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খানের রান্নার মূল অনুপ্রেরণা তার মা। ছোটবেলা থেকেই তিনি মায়ের হাতের রান্না খেয়ে বড় হয়েছেন।

আরও পড়ুন  গভীর ঘুমের উপায়: চিকিৎসকের কার্যকর পরামর্শ

তার মা ঘরেই তৈরি করতেন—

  • বিরিয়ানি
  • কাবাব
  • কেক
  • পেস্ট্রি
  • এমনকি পিৎজাও

এই অভিজ্ঞতা থেকেই তার মধ্যে রান্নার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়।

সাবিনা তার রান্নাঘরকে শুধু রান্নার জায়গা হিসেবে দেখেন না, বরং এটিকে তিনি “Flavor Lab” বলেন।

এখানে তিনি নিয়মিত নতুন নতুন রেসিপি নিয়ে পরীক্ষা করেন। ভুল করলে আবার শুরু করেন, এটাই তার শেখার প্রক্রিয়া।

এই চিন্তাভাবনা তাকে অন্য প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করেছে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান শুধু স্বাদের দিকেই নয়, টেকসই জীবনযাপনেও গুরুত্ব দেন।

তিনি একজন পরিবেশ পরামর্শক হওয়ায় রান্নাতেও এই বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

তার কিছু অভ্যাস:

  • খাবার অপচয় না করা
  • মুরগির সব অংশ ব্যবহার করা
  • হাড় দিয়ে স্টক তৈরি করা
  • অবশিষ্ট খাবার দিয়ে নতুন ডিশ তৈরি

তিনি বলেন, এই অভ্যাস আসলে বাংলাদেশি সংস্কৃতির অংশ।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান পেঁয়াজু
মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান পেঁয়াজু

১৬ বছর আগে সাবিনা প্রথমবার মাস্টারশেফে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে তখন অংশ নিতে পারেননি।

২০২৬ সালে তিনি আবার সুযোগ পান, এবার তার সন্তানদের উৎসাহে।

তিনি এই সুযোগকে জীবনের একটি বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখেন।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান তার রান্না দিয়ে বিচারকদের মন জয় করেছেন।

একজন বিচারক তার পেঁয়াজুকে “Bullets of Joy” বলে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  কাল বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ : নতুন বছর ১৪৩৩-কে বরণ করতে প্রস্তুত গোটা জাতি

আরেকজন বলেন:
তার খাবারে প্রতিটি উপাদানের স্বাদ আলাদাভাবে অনুভব করা যায়, আবার সব মিলিয়ে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খানের সাফল্য বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন।

তিনি প্রমাণ করেছেন: 
বাংলাদেশি খাবার শুধু স্থানীয় নয়, আন্তর্জাতিক মানেরও হতে পারে।

বিশেষ করে পেঁয়াজুর মতো সাধারণ খাবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেওয়া একটি অনন্য ঘটনা।

সাবিনা শুধু প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ থাকতে চান না।

তার পরিকল্পনা:

  • একটি রান্নার বই লেখা
  • ফুড সিরিজ তৈরি করা
  • খাবারের ইতিহাস নিয়ে কাজ করা

তিনি চান তার কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতির খাবারকে একত্রে তুলে ধরতে।

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান বিশেষভাবে বাংলাদেশি নারীদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন।

তিনি বলেন : 
বাংলাদেশের অনেক নারী অসাধারণ রান্না জানেন, কিন্তু সেটিকে পেশা হিসেবে নেন না।

তিনি তাদের উৎসাহ দেন

  • শেফ হওয়ার জন্য
  • ক্যাটারিং ব্যবসা শুরু করার জন্য

মাস্টারশেফ ইউকেতে সাবিনা খান শুধু একজন প্রতিযোগী নন. তিনি একটি অনুপ্রেরণা।

তার গল্প আমাদের শেখায়,
স্বপ্ন কখনো দেরিতে হলেও সত্যি হতে পারে।

আর একটি সাধারণ পেঁয়াজুও বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস তৈরি করতে পারে, যদি সেখানে থাকে ভালোবাসা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস।