শান্ত-মুমিনুল জুটিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ৩০১ রান তুলেছে টাইগাররা। শুরুতে দ্রুত দুই উইকেট হারালেও দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দলকে ঘুরে দাঁড় করান নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক।
মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম দ্রুত ফিরলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর চতুর্থ উইকেটে ১৭০ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন শান্ত ও মুমিনুল। দ্বিতীয় সেশনে পুরোপুরি আধিপত্য দেখায় স্বাগতিকরা।
দারুণ ছন্দে থাকা শান্ত ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৩০ বলে ১০১ রানের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছয়। তবে শতক করার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।
অন্যদিকে ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ২০০ বল মোকাবিলা করে ৯১ রান করেন মুমিনুল হক। তার ইনিংসে ছিল ১২টি চার। দিনের শেষ দিকে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস সতর্ক ব্যাটিং করে দিন শেষ করেন।
মুশফিক ৪৮ ও লিটন ৮ রানে অপরাজিত আছেন। দ্বিতীয় দিনে বড় সংগ্রহ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। প্রথম দিনের পারফরম্যান্সে সিরিজে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে টাইগাররা।
বাংলাদেশের ব্যাটাররা শুরুতে কিছুটা চাপে থাকলেও মধ্যভাগে অভিজ্ঞদের দৃঢ়তায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে আসে। বিশেষ করে শান্ত ও মুমিনুলের জুটি দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়।
টেস্ট ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে শান্তর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য বড় ইতিবাচক দিক হয়ে উঠেছে। সবশেষ পাঁচ ম্যাচে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। অন্যদিকে মুমিনুলও নিজের অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়েছেন দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে।
মিরপুরের উইকেটে শুরুতে বোলাররা কিছুটা সুবিধা পেলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে ব্যাটিং সহজ হয়ে ওঠে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটাররা প্রথম দিনের শেষভাগে দারুণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন।
দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে বড় স্কোর গড়া এবং পাকিস্তানের ওপর আরও চাপ তৈরি করা। মুশফিক ও লিটনের জুটি দীর্ঘ হলে ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

























