ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আলভারেজ নিয়ে মার্তিনেজের ১ আবেগঘন বার্তা, কঠিন সময়ে বড় সমর্থন Logo ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করার সহজ নিয়ম মাসে একবার করলেই যথেষ্ট Logo খেজুর দিয়ে তৈরি চকলেট কেক ডিম চিনি ছাড়াই সহজ স্বাস্থ্যকর রেসিপি Logo নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহতদের স্মরণে জাতীয় শোক Logo ইসরায়েলি বসতির বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য ফ্রান্সসহ ১২ দেশের নিষেধাজ্ঞা Logo স্কিনকেয়ারের পর ফোন চালালে কি ত্বকের ক্ষতি হয়? জানুন আসল তথ্য Logo স্ক্যাল্পের যত্নে ইতালিয়ান হেয়ার ওয়াশিং মেথডের ৫ সহজ কৌশল Logo পাকিস্তান ক্রিকেট ১০ বছর পিছিয়ে গেছে: সাঈদ আজমল Logo বেনজীর আহমেদকে ফেরাতে ইউএইর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের নতুন দাবি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

কাশ্মীর ইস্যু আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে। ছবি: সংগৃহীত

কাশ্মীর ইস্যু আবারও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সাম্প্রতিক অধিবেশনে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরের অবস্থান নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। বিষয়টি নতুন নয়, তবে দুই দেশের সাম্প্রতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। দেশটি জম্মু ও কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তার বক্তব্যের পরপরই পাকিস্তান ‘রাইট অব রিপ্লাই’ ব্যবহার করে নিজেদের মতামত তুলে ধরে।

পাকিস্তানের প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। তার দাবি, অঞ্চলটির চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবনাগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করে বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

কাশ্মীর ইস্যু প্রসঙ্গে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদও সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক আলোচনায় কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন উভয় ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে। তার মতে, এসব বিরোধের সমাধান আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবনার আলোকে হওয়া উচিত।

তিনি জানান, ২০২৫ সালে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ও কাশ্মীর প্রশ্নে নিরাপত্তা পরিষদের কাছে একাধিক আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা হয়েছে। পাশাপাশি মে মাসে এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছে। পাকিস্তানের দাবি, সাত দশকের বেশি সময় পার হলেও কাশ্মীর ইস্যু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনো সক্রিয় আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মতপার্থক্য নতুন কিছু নয়। তবে জাতিসংঘে সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো প্রমাণ করে যে বিষয়টি এখনো দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান ছাড়া অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আলভারেজ নিয়ে মার্তিনেজের ১ আবেগঘন বার্তা, কঠিন সময়ে বড় সমর্থন

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের নতুন দাবি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

Update Time : ০৯:৩৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

কাশ্মীর ইস্যু আবারও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সাম্প্রতিক অধিবেশনে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরের অবস্থান নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। বিষয়টি নতুন নয়, তবে দুই দেশের সাম্প্রতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। দেশটি জম্মু ও কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তার বক্তব্যের পরপরই পাকিস্তান ‘রাইট অব রিপ্লাই’ ব্যবহার করে নিজেদের মতামত তুলে ধরে।

আরও পড়ুন  খলিলুর রহমান ইউএনজিএ সভাপতি, থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও

পাকিস্তানের প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। তার দাবি, অঞ্চলটির চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবনাগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করে বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

কাশ্মীর ইস্যু প্রসঙ্গে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদও সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক আলোচনায় কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন উভয় ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে। তার মতে, এসব বিরোধের সমাধান আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবনার আলোকে হওয়া উচিত।

আরও পড়ুন  বন্যার কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে তিন মাস ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত

তিনি জানান, ২০২৫ সালে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ও কাশ্মীর প্রশ্নে নিরাপত্তা পরিষদের কাছে একাধিক আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা হয়েছে। পাশাপাশি মে মাসে এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছে। পাকিস্তানের দাবি, সাত দশকের বেশি সময় পার হলেও কাশ্মীর ইস্যু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনো সক্রিয় আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মতপার্থক্য নতুন কিছু নয়। তবে জাতিসংঘে সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো প্রমাণ করে যে বিষয়টি এখনো দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান ছাড়া অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

আরও পড়ুন  ইসরাইলি নাগরিক নিয়ে তোলপাড়, কঠোর সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়ার