ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস Logo সুখবর! সৌদি উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজির ঢাকা সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা Logo ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরলেন: চিকিৎসা শেষে সুখবর, জানালেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা Logo নিষিদ্ধ সংগঠন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমানের সহযোগী চন্দনাইশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বর্তমানে সক্রিয় ২ কর্মী গ্রেপ্তার Logo আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে Logo BTS গ্র্যামি বয়কট: গ্র্যামি থেকে সরানো হলো BTS-এর ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স ভিডিও Logo ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার: দুর্গন্ধ দূর করার ৭টি সহজ উপায় Logo মানসিক চাপ কমানোর উপায়: স্ট্রেসের সময় শান্ত থাকার ৫টি কার্যকর কৌশল Logo ঢাকার বায়ুর মান মাঝারি: AQI ৭৯, জানুন আজকের স্বস্তির খবর Logo শিশুদের খেলাধুলা কেন জরুরি? গবেষণায় মিলল দারুণ তথ্য

আবাসনখাতে নতুন আরোপিত কর প্রত্যাহরের দাবি রিহ্যাবের

আবাসন কর নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ঘোষণার পর। আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব বলছে, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জমির মালিকদের প্রাপ্ত ফ্ল্যাটের ওপর ১৫ শতাংশ গেইন ট্যাক্স আরোপ করলে পুরো ফ্ল্যাট বাজার বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে। এতে নতুন ফ্ল্যাটের দাম আরও বাড়তে পারে এবং সাধারণ ক্রেতাদের জন্য আবাসন কেনা কঠিন হয়ে উঠবে।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব নেতারা জানান, আবাসন খাত বর্তমানে নানা ধরনের কর ও ব্যয়ের চাপ বহন করছে। এর মধ্যে নতুন কর সংযোজন বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাদের মতে, সরকার রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নিলেও আবাসন খাতের বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজাল বলেন, বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী জমির মালিককে চুক্তির সময় দেওয়া অর্থের ওপর কর পরিশোধ করা হয়। কিন্তু নতুন প্রস্তাবে জমির মালিকের অংশ হিসেবে পাওয়া ফ্ল্যাটের মূল্যকেও করের আওতায় আনা হয়েছে। ফলে অনেক জমির মালিককে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ কর হিসেবে দিতে হতে পারে। এই অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের মূল্যের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে নির্মাণসামগ্রীর দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। রড, কপার, পিভিসি রেজিনসহ বিভিন্ন উপকরণের ওপর কর ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে নির্মাণ ব্যয় আরও বাড়বে। এর সঙ্গে নতুন আবাসন কর যুক্ত হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ফলে নতুন ফ্ল্যাটের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব আরও জানায়, বাংলাদেশে ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধন ব্যয় ইতোমধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। সংগঠনটি নিবন্ধন ব্যয় কমানোর প্রস্তাব দিলেও বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। পাশাপাশি স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের অভাবে মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেক মানুষ আবাসন বাজার থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

রিহ্যাবের মতে, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে আবাসন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বাজেট পাসের আগে নতুন আবাসন করসহ খাতটির ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর ও শুল্ক পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের আশা, সরকার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেবে, যা একদিকে রাজস্ব আয় নিশ্চিত করবে এবং অন্যদিকে আবাসন বাজারের স্থিতিশীলতাও বজায় রাখবে।

 

ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস

আবাসনখাতে নতুন আরোপিত কর প্রত্যাহরের দাবি রিহ্যাবের

Update Time : ০৪:০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আবাসন কর নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ঘোষণার পর। আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব বলছে, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জমির মালিকদের প্রাপ্ত ফ্ল্যাটের ওপর ১৫ শতাংশ গেইন ট্যাক্স আরোপ করলে পুরো ফ্ল্যাট বাজার বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে। এতে নতুন ফ্ল্যাটের দাম আরও বাড়তে পারে এবং সাধারণ ক্রেতাদের জন্য আবাসন কেনা কঠিন হয়ে উঠবে।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব নেতারা জানান, আবাসন খাত বর্তমানে নানা ধরনের কর ও ব্যয়ের চাপ বহন করছে। এর মধ্যে নতুন কর সংযোজন বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাদের মতে, সরকার রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নিলেও আবাসন খাতের বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন  ডে ট্রেডিং সুবিধা কি চালু হচ্ছে? বিএসইসির বড় সিদ্ধান্ত

রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজাল বলেন, বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী জমির মালিককে চুক্তির সময় দেওয়া অর্থের ওপর কর পরিশোধ করা হয়। কিন্তু নতুন প্রস্তাবে জমির মালিকের অংশ হিসেবে পাওয়া ফ্ল্যাটের মূল্যকেও করের আওতায় আনা হয়েছে। ফলে অনেক জমির মালিককে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ কর হিসেবে দিতে হতে পারে। এই অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের মূল্যের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  জ্বালানি নিরাপত্তা: শক্তিশালী পরিকল্পনায় শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুতের আশ্বাস

সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে নির্মাণসামগ্রীর দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। রড, কপার, পিভিসি রেজিনসহ বিভিন্ন উপকরণের ওপর কর ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে নির্মাণ ব্যয় আরও বাড়বে। এর সঙ্গে নতুন আবাসন কর যুক্ত হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ফলে নতুন ফ্ল্যাটের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব আরও জানায়, বাংলাদেশে ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধন ব্যয় ইতোমধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। সংগঠনটি নিবন্ধন ব্যয় কমানোর প্রস্তাব দিলেও বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। পাশাপাশি স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের অভাবে মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেক মানুষ আবাসন বাজার থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনছে, রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

রিহ্যাবের মতে, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে আবাসন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বাজেট পাসের আগে নতুন আবাসন করসহ খাতটির ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর ও শুল্ক পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের আশা, সরকার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেবে, যা একদিকে রাজস্ব আয় নিশ্চিত করবে এবং অন্যদিকে আবাসন বাজারের স্থিতিশীলতাও বজায় রাখবে।