ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আজ বিশ্ব বন্ধু দিবস Logo রাশমিকা মান্দানার চোট: নাচের শুটিংয়ে গুরুতর আহত অভিনেত্রী Logo প্রোটিনের পাওয়ার ব্যাটেল: ডিম নাকি মুরগির মাংস—কোনটি বেশি উপকারী? Logo রাখি সাওয়ান্তের স্বীকারোক্তি: ইসলাম পালন ও নামাজ নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য Logo নবীদের জীবন থেকে শেখার ৫টি শিক্ষা, জানুন কোরআনের আলোকে Logo বন্ধ ফ্যাক্টরি চালুতে সুখবর, দেশের সব শিল্পকারখানা সচলে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার Logo অর্থনীতিতে ৪–৫ বছরে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের এমডি নিয়োগে বড় পরিবর্তন, এখন শুধু মনোনয়ন দেবে সরকার Logo চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল: ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে চট্টগ্রামে লাখো কর্মসংস্থানের আশা Logo মুদ্রা বিনিময় হার আজ: ২ আগস্টের ডলার, ইউরোসহ ৯ দেশের সর্বশেষ রেট জানুন

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল: ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে চট্টগ্রামে লাখো কর্মসংস্থানের আশা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১৫

নতুন শিল্পাঞ্চল ঘিরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের আশা। ছবি: সংগৃহীত

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৭৮৩ একর জমির ওপর গড়ে উঠতে যাওয়া এই শিল্পাঞ্চলে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা) বিনিয়োগের সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এক লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।

এই শিল্পাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শক্তি এর কৌশলগত অবস্থান। একদিকে চট্টগ্রাম বন্দর, অন্যদিকে কর্ণফুলী টানেল, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ভবিষ্যতের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর—সবকিছুর সঙ্গে সহজ যোগাযোগ থাকায় এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্রে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রায় এক দশকের অপেক্ষার পর প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। যদিও মূল বাস্তবায়ন শুরু হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে এবং অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ডিসেম্বর ২০৩১।

২০১৬ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে প্রকল্পটির সূচনা হলেও ডেভেলপার নির্বাচন, অর্থায়ন ও বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতায় দীর্ঘদিন কাজ এগোয়নি। পরে চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) ডেভেলপার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রকল্পটি নতুন গতি পায়। এরই ধারাবাহিকতায় সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকার প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলটিতে থাকবে আধুনিক বহুমুখী জেটি, চার লেনের সংযোগ সড়ক, সেতু, কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি), গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ, পানি সংরক্ষণাগার এবং উন্নত লজিস্টিক সুবিধা। এসব অবকাঠামো সম্পন্ন হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প পরিবেশ তৈরি হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু জমি বরাদ্দ বা অবস্থানগত সুবিধা নয়, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, দ্রুত বিনিয়োগ সেবা এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা গেলে এই চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল দক্ষিণ চট্টগ্রামকে একটি আন্তর্জাতিক শিল্প করিডরে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কর্ণফুলী টানেলের ব্যবহারও বাড়বে এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালুর পর রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ বিশ্ব বন্ধু দিবস

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল: ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে চট্টগ্রামে লাখো কর্মসংস্থানের আশা

Update Time : ১০:০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৭৮৩ একর জমির ওপর গড়ে উঠতে যাওয়া এই শিল্পাঞ্চলে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা) বিনিয়োগের সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এক লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।

এই শিল্পাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শক্তি এর কৌশলগত অবস্থান। একদিকে চট্টগ্রাম বন্দর, অন্যদিকে কর্ণফুলী টানেল, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ভবিষ্যতের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর—সবকিছুর সঙ্গে সহজ যোগাযোগ থাকায় এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্রে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  জেনে নিন আজকের মুদ্রার বিনিময় হার

প্রায় এক দশকের অপেক্ষার পর প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। যদিও মূল বাস্তবায়ন শুরু হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে এবং অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ডিসেম্বর ২০৩১।

২০১৬ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে প্রকল্পটির সূচনা হলেও ডেভেলপার নির্বাচন, অর্থায়ন ও বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতায় দীর্ঘদিন কাজ এগোয়নি। পরে চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) ডেভেলপার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রকল্পটি নতুন গতি পায়। এরই ধারাবাহিকতায় সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকার প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  অবৈধ ভিওআইপি: গ্রামীণফোনকে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা

শিল্পাঞ্চলটিতে থাকবে আধুনিক বহুমুখী জেটি, চার লেনের সংযোগ সড়ক, সেতু, কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি), গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ, পানি সংরক্ষণাগার এবং উন্নত লজিস্টিক সুবিধা। এসব অবকাঠামো সম্পন্ন হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প পরিবেশ তৈরি হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু জমি বরাদ্দ বা অবস্থানগত সুবিধা নয়, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, দ্রুত বিনিয়োগ সেবা এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা গেলে এই চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল দক্ষিণ চট্টগ্রামকে একটি আন্তর্জাতিক শিল্প করিডরে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কর্ণফুলী টানেলের ব্যবহারও বাড়বে এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালুর পর রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

আরও পড়ুন  অর্থনীতিতে ৪–৫ বছরে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর