ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দুলকার সালমান: সফল ক্যারিয়ারের অনুপ্রেরণার গল্প Logo ভিনিসিয়ুস চুক্তি নবায়ন: রিয়ালের বড় পরিকল্পনার শক্তিশালী কারণ Logo ইয়ান দিয়োমান্দে: রিয়ালের নতুন তারকার অনুপ্রেরণা রোনালদো Logo ব্যালন ডি’অর দৌড়ে এমবাপ্পে: ট্রফি ছাড়াই জয়ের দুর্দান্ত ইতিহাস Logo বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি রেকর্ড: ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিক্রি, জানুন চমকপ্রদ তথ্য Logo চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক জোন উদ্বোধন, বিনিয়োগে জোর অর্থমন্ত্রীর Logo বিবিএস রিপোর্ট: ৬৫% ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নেই, বাড়ছে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ Logo ফিট থাকতে জিম নয়, কী করেন জয়া আহসান? Logo গ্যাস সংযোগ বন্ধে বড় ধাক্কা, অনিশ্চয়তায় শিল্প খাতের নতুন বিনিয়োগ Logo ভবন নির্মাণে পাহাড় কাটা হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, উঠেছে প্রশ্ন

চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক জোন উদ্বোধন, বিনিয়োগে জোর অর্থমন্ত্রীর

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩৭

চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো চায়না ইকোনমিক জোন। ছবি: সংগৃহীত

চায়না ইকোনমিক জোন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে গড়ে ওঠা এই অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই শিল্পাঞ্চলে ভবিষ্যতে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। ইতোমধ্যে ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান এখানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বিনিয়োগই সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি। সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা, আর সেই লক্ষ্য অর্জনে বিদেশি বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের জন্য নিয়মকানুন আরও সহজ করা হচ্ছে এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর ও জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকায় এই শিল্পাঞ্চল দেশের অন্যতম কৌশলগত বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ করবে। সরকারের পক্ষ থেকেও নিরাপদ ও স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চায়না ইকোনমিক জোন বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অন্যদিকে, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) জানিয়েছে, প্রথম ধাপের কারখানা নির্মাণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বেজার তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৮ মাসের মধ্যেই এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রথম শিল্পকারখানায় উৎপাদন শুরু হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শিল্পাঞ্চল পুরোপুরি চালু হলে দেশে কাঁচামাল উৎপাদন বাড়বে, সরবরাহব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং উৎপাদন ব্যয় কমে রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা বাড়বে। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুলকার সালমান: সফল ক্যারিয়ারের অনুপ্রেরণার গল্প

চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক জোন উদ্বোধন, বিনিয়োগে জোর অর্থমন্ত্রীর

Update Time : ১১:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

চায়না ইকোনমিক জোন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে গড়ে ওঠা এই অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই শিল্পাঞ্চলে ভবিষ্যতে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। ইতোমধ্যে ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান এখানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন  জেনে নিন আজকের মুদ্রার বিনিময় হার

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বিনিয়োগই সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি। সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা, আর সেই লক্ষ্য অর্জনে বিদেশি বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের জন্য নিয়মকানুন আরও সহজ করা হচ্ছে এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর ও জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকায় এই শিল্পাঞ্চল দেশের অন্যতম কৌশলগত বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ করবে। সরকারের পক্ষ থেকেও নিরাপদ ও স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর আসছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চায়না ইকোনমিক জোন বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অন্যদিকে, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) জানিয়েছে, প্রথম ধাপের কারখানা নির্মাণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বেজার তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৮ মাসের মধ্যেই এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রথম শিল্পকারখানায় উৎপাদন শুরু হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিদেশি বিনিয়োগে লুকিয়ে আছে বড় সম্ভাবনা

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শিল্পাঞ্চল পুরোপুরি চালু হলে দেশে কাঁচামাল উৎপাদন বাড়বে, সরবরাহব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং উৎপাদন ব্যয় কমে রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা বাড়বে। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।