বিনিয়োগের জন্য অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচার (ওপেক্স) ও ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার (ক্যাপেক্স) মডেল রাখা হয়েছে। ওপেক্স মডেলে বিনিয়োগকারী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের খরচ বহন করবেন। ক্যাপেক্স মডেলে গ্রাহক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প স্থাপন করে মালিকানা রাখতে পারবে। গ্রাহক, সেবা প্রদানকারী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে যন্ত্রপাতির মান, রক্ষণাবেক্ষণ, বিল পরিশোধ ও বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
অধ্যাদেশে নেট-মিটারিংয়ের সুযোগও রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাহক নিজের প্রয়োজন মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবেন। সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ বিলের সঙ্গে সমন্বয় হবে এবং সরকার নির্ধারিত ট্যারিফ অনুযায়ী উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের মূল্য পাওয়ার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি অবৈধ সংযোগ এবং স্থাপন, পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে বাধা দিলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এসব অপরাধের বিচার প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হবে। সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ও নীতিগত দিকনির্দেশনার জন্য জাতীয় পলিসি কাউন্সিল এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি ও সমন্বয় কমিটি গঠনের বিধানও রাখা হয়েছে।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন