তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম বিদেশ সফর এবং দ্বিতীয় গন্তব্য হিসেবে তিনি বেইজিংকে বেছে নিয়েছেন।
সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক ও ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, শিল্প, বাণিজ্য ও মেগা অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা বাড়াতে ১৫টিরও বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ, রপ্তানি সুবিধা এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের চীন সফর ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।























