ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত

কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানী ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্নয়ন এবং বিদেশে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সম্ভাবনা আরও বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে কাতারে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দক্ষ কর্মী নিয়োগ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ উপলক্ষে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে আরও প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি কাতারে পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে প্রবাসী কর্মীদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ, বেতন-ভাতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার হিসেবে কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে কাতারে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি বিভিন্ন খাতে কর্মরত রয়েছেন। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। সাম্প্রতিক এই বৈঠক সেই প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, বৈঠকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

Update Time : ১১:১৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানী ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্নয়ন এবং বিদেশে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সম্ভাবনা আরও বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে কাতারে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দক্ষ কর্মী নিয়োগ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-মালদ্বীপ বন্দি বিনিময় চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে : হাইকমিশন

কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ উপলক্ষে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে আরও প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি কাতারে পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে প্রবাসী কর্মীদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ, বেতন-ভাতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার হিসেবে কাতারে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইতালিতে বাংলাদেশির ১৪ বছরের কারাদণ্ড

বর্তমানে কাতারে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি বিভিন্ন খাতে কর্মরত রয়েছেন। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। সাম্প্রতিক এই বৈঠক সেই প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, বৈঠকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিলোমিটার জার্মানির পতাকা বানালেন কৃষক আমজাদ