ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ফটিকছড়িতে জমি চাষ দেখতে গিয়ে বাবার ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo কাশ্মীরি খুবানি চিকেন ঘরেই বানান রাজকীয় স্বাদের এই পদ Logo বৃষ্টির দিনে ঘুম বেশি পাওয়ার পেছনে রয়েছে যে ৫ কারণ Logo জাপানিদের ত্বকের যত্নে জনপ্রিয় এই সুলভ উপকরণটি চিনে নিন Logo সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর বেতন: বাড়ছে ৬৪ শতাংশ Logo আ স ম ফিরোজ: নতুন দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ Logo থাইল্যান্ডের এআইটি পরিদর্শনে মাভাবিপ্রবি উপাচার্য, গবেষণায় যৌথ কাজের পরিকল্পনা Logo সাহাদুল হকের মৃত্যু: চার বছর আগের হলফনামায় কী ছিল Logo কাঁঠালের দাম: মৌসুম শেষে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা Logo কানাডায় গায়কের গাড়ি লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি!

সমালোচনায় সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়, জানালেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫৬৮

তামিল অভিনেতা থালাপতি বিজয়।

তামিল তারকা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়গন’ সাত মাস পিছিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। এটিই অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের শেষ সিনেমা। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছবিটি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দর্শকেরা। এ সময়ই সামনে এসেছে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এক আবেগঘন স্মৃতি।

সম্প্রতি অভিনেতা সঞ্জীব এক সাক্ষাৎকারে জানান, ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিজয়ের অভিষেক সিনেমা ‘নালাইয়া থিরপু’-এর সমালোচনায় ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেতা। একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কঠোর সমালোচনার পর সারা রাত কেঁদেছিলেন তিনি।

বিহাইন্ডউডসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জীব বলেন, তখন বিজয়ের বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন তিনি। প্রথম সিনেমা নিয়েই এমন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ায় বিষয়টি সহজভাবে নিতে পারেননি।

সঞ্জীবের ভাষায়, ‘বিজয় কেঁদেছিল, অনেক কেঁদেছিল। সে সারা রাত কেঁদেছিল। কোনো নতুন অভিনেতাই প্রথম সিনেমার পর এমন সমালোচনা শুনতে চায় না, বিশেষ করে যখন তা আসে একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কাছ থেকে।’

তবে সময়ের সঙ্গে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন বিজয়। পরে সেই একই ম্যাগাজিন তাদের প্রচ্ছদে বিজয়ের ছবি প্রকাশের জন্য তাঁর অনুমতি চেয়েছিল বলেও জানান সঞ্জীব। তাঁর মতে, এটিই বিজয়ের সবচেয়ে বড় অর্জনের একটি।

এদিকে এইচ বিনোথ পরিচালিত ‘জন নায়গন’-কে বিজয়ের বিদায়ী চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। দর্শকদের অনেকেই ছবিতে বিজয়ের পর্দা উপস্থিতি, অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং আবেগঘন দৃশ্যের প্রশংসা করেছেন। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, গল্পটি পরিচিত ধাঁচের এবং প্রায় তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্য ছবির গতি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটিকছড়িতে জমি চাষ দেখতে গিয়ে বাবার ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

সমালোচনায় সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়, জানালেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু

Update Time : ০১:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

তামিল তারকা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়গন’ সাত মাস পিছিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। এটিই অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের শেষ সিনেমা। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছবিটি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দর্শকেরা। এ সময়ই সামনে এসেছে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এক আবেগঘন স্মৃতি।

সম্প্রতি অভিনেতা সঞ্জীব এক সাক্ষাৎকারে জানান, ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিজয়ের অভিষেক সিনেমা ‘নালাইয়া থিরপু’-এর সমালোচনায় ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেতা। একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কঠোর সমালোচনার পর সারা রাত কেঁদেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন  পূর্ণিমার আর্জেন্টিনা সমর্থন: দারুণ কারণ জানালেন জনপ্রিয় নায়িকা

বিহাইন্ডউডসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জীব বলেন, তখন বিজয়ের বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন তিনি। প্রথম সিনেমা নিয়েই এমন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ায় বিষয়টি সহজভাবে নিতে পারেননি।

সঞ্জীবের ভাষায়, ‘বিজয় কেঁদেছিল, অনেক কেঁদেছিল। সে সারা রাত কেঁদেছিল। কোনো নতুন অভিনেতাই প্রথম সিনেমার পর এমন সমালোচনা শুনতে চায় না, বিশেষ করে যখন তা আসে একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কাছ থেকে।’

আরও পড়ুন  তাহসান খান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে, বৈশ্বিক সহায়তার জোরালো আহ্বান

তবে সময়ের সঙ্গে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন বিজয়। পরে সেই একই ম্যাগাজিন তাদের প্রচ্ছদে বিজয়ের ছবি প্রকাশের জন্য তাঁর অনুমতি চেয়েছিল বলেও জানান সঞ্জীব। তাঁর মতে, এটিই বিজয়ের সবচেয়ে বড় অর্জনের একটি।

এদিকে এইচ বিনোথ পরিচালিত ‘জন নায়গন’-কে বিজয়ের বিদায়ী চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। দর্শকদের অনেকেই ছবিতে বিজয়ের পর্দা উপস্থিতি, অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং আবেগঘন দৃশ্যের প্রশংসা করেছেন। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, গল্পটি পরিচিত ধাঁচের এবং প্রায় তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্য ছবির গতি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন  বলিউডে দ্যুতি ছড়াতে আসছেন এই দক্ষিণী সুন্দরী