বিজিবিএ স্থায়ী কমিটি গঠনের মাধ্যমে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ)। রোববার রাজধানীর উত্তরা ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংগঠনটি ৬৬টি স্থায়ী (স্ট্যান্ডিং) কমিটির ঘোষণা দেয়। অনুষ্ঠানে বিজিবিএর সভাপতি মো. আবদুল হামিদ, সাবেক সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ পাভেল, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নবগঠিত কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনটির নেতারা জানান, সদস্যদের চাহিদা, শিল্পখাতের বর্তমান বাস্তবতা এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ সদস্যদের নিয়ে এই কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গার্মেন্ট বায়িং হাউস খাতের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন গঠিত কমিটিগুলো নীতিগত অ্যাডভোকেসি, বাণিজ্য সহায়তা, কমপ্লায়েন্স, সদস্যসেবা, সালিসি, ডিজিটাল রূপান্তর, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, টেকসই উন্নয়ন, বিনিয়োগ উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কাজ করবে। পাশাপাশি দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতেও এসব কমিটি ভূমিকা রাখবে।
বিজিবিএর সভাপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ৬৬টি স্থায়ী কমিটি গঠন সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, আধুনিক ও সদস্যবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিটি কমিটি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে গার্মেন্ট বায়িং হাউস খাত এবং দেশের রপ্তানি শিল্পের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখবে।
সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ পাভেল সদস্যদের সততা, পেশাদারিত্ব ও ঐক্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণই বিজিবিএর সাফল্যের মূল ভিত্তি এবং নতুন কমিটিগুলো শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিজিবিএ জানিয়েছে, সরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করে একটি স্বচ্ছ, টেকসই ও বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক গার্মেন্ট বায়িং হাউস খাত গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। নতুন স্থায়ী কমিটিগুলোর কার্যক্রম ভবিষ্যতে শিল্পসংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণ এবং দেশের পোশাক রপ্তানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।



























