ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মার্কিন রাজনীতিতে কতটা প্রভাবশালী ইসরাইলি লবি Logo চন্দনাইশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, মা কালি সুইটসকে জরিমানা Logo রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ: শুক্রবার ঘোষণা নিয়ে জোরালো আলোচনা Logo স্বাস্থ্যখাতের অবক্ষয় ও বিদেশমুখী চিকিৎসা Logo খুলনা হত্যা মামলা: পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল Logo জেডি ভ্যান্সের ভ্রমণ তথ্য ফাঁস করায় সিক্রেট এজেন্ট বরখাস্ত Logo কমলগঞ্জে ১২০০ কমলা গাছ কেটে ফেলার ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন Logo বিশ্বকাপজয়ী স্পেন ফুটবল দল পেল রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, ইতিহাস গড়ল চ্যাম্পিয়নরা Logo থাইরয়েড কেন বাড়ছে? জানুন কারণ ও প্রতিরোধের উপায় Logo চন্দনাইশ সমিতি-কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মহসীন কবীর ইন্তেকাল করেছেন

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার হবে সেনা আইনে’

জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার সেনা আইনে চাইল বিএনপি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচার বেসামরিক আদালতে নয়, বরং সেনা আইনের আওতায় হওয়া উচিত। তার দাবি, যেহেতু হত্যাকাণ্ডটি সেনানিবাসের ভেতরে সংঘটিত হয়েছিল এবং এতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জড়িত ছিলেন, তাই সেনা আইন অনুযায়ী বিচার করাই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পার হলেও জিয়াউর রহমান হত্যার প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারী এবং পরিকল্পনাকারীদের এখনো আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন করে তদন্ত ও সেনা আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক সামরিক অভ্যুত্থানের সময় নিহত হন। ওই ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগে সামরিক আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

তবে বিএনপির দাবি, সেই বিচার মূলত বিদ্রোহে অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ছিল; কিন্তু হত্যার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা বা রাজনৈতিকভাবে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা কখনো পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করা হয়নি।

সালাহউদ্দিন আহমেদের মতে, ঘটনাটি সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে সংঘটিত হওয়ায় আর্মি অ্যাক্ট (সেনা আইন) অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এতে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের সুযোগ তৈরি হবে এবং দীর্ঘদিনের বিতর্কেরও অবসান ঘটবে।

তিনি আরও দাবি করেন, রাষ্ট্রের স্বার্থে এবং ইতিহাসের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত জরুরি।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই এই হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমতও দেখা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যতে নতুন তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনাকে আরও তীব্র করতে পারে। তবে সেনা আইনে নতুন করে বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন রাজনীতিতে কতটা প্রভাবশালী ইসরাইলি লবি

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার হবে সেনা আইনে’

Update Time : ০৯:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচার বেসামরিক আদালতে নয়, বরং সেনা আইনের আওতায় হওয়া উচিত। তার দাবি, যেহেতু হত্যাকাণ্ডটি সেনানিবাসের ভেতরে সংঘটিত হয়েছিল এবং এতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জড়িত ছিলেন, তাই সেনা আইন অনুযায়ী বিচার করাই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পার হলেও জিয়াউর রহমান হত্যার প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারী এবং পরিকল্পনাকারীদের এখনো আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন করে তদন্ত ও সেনা আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুন  জুলাই গণঅভ্যুত্থান: হৃদয়ছোঁয়া সত্য, অদম্য সংগ্রাম ও অদৃশ্য ক্ষত

বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক সামরিক অভ্যুত্থানের সময় নিহত হন। ওই ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগে সামরিক আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

তবে বিএনপির দাবি, সেই বিচার মূলত বিদ্রোহে অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ছিল; কিন্তু হত্যার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা বা রাজনৈতিকভাবে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা কখনো পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করা হয়নি।

আরও পড়ুন  রিজভী: সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টে চলছে ষড়যন্ত্র

সালাহউদ্দিন আহমেদের মতে, ঘটনাটি সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে সংঘটিত হওয়ায় আর্মি অ্যাক্ট (সেনা আইন) অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এতে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের সুযোগ তৈরি হবে এবং দীর্ঘদিনের বিতর্কেরও অবসান ঘটবে।

তিনি আরও দাবি করেন, রাষ্ট্রের স্বার্থে এবং ইতিহাসের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত জরুরি।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই এই হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমতও দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  হাসনাত আবদুল্লাহর শক্তিশালী বার্তা: দেশের স্বার্থে সংস্কার আমাদেরই দায়িত্ব

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যতে নতুন তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনাকে আরও তীব্র করতে পারে। তবে সেনা আইনে নতুন করে বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।