ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কানাডায় গায়কের গাড়ি লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি! Logo বাল্যবিবাহের অপরাধে কেরানীগঞ্জে বরসহ ৩ জনের কারাদণ্ড Logo চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে ট্যাংক দুর্ঘটনায় ২ সেনা নিহত, আহত ১ Logo এমবাপ্পের রেকর্ডের রাতে ইন্টারকে হারাল রিয়াল Logo হালান্ডের জোড়া গোল, পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানসিটির দাপুটে জয় Logo আরব আমিরাতকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, শেষ চারে ভারতের মুখোমুখি Logo রোনালদোর ২ রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন মেসি, ২০ বছর পরও ব্যালন ডি’অরের তালিকায় Logo অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, হংকংকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে Logo নিজের ছবি দিয়ে ৯০-এর দশকের লুক, জানুন ১০টি AI Prompt Logo কোরিয়ান অভিনেত্রী বেক জিন হির বিয়ে, হবু স্বামী কে?

ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বা ভোটের কৌশল হিসেবে ব্যবহার না করে জনকল্যাণ, সুশাসন এবং মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিভাজন বা ভোটের রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদে সমাজে বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতা সৃষ্টি করে। তাই উন্নয়ন, ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ এবং সুশাসনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন কোনো ভয় বা বাধা ছাড়াই নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং যেমন ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না। ধর্ম, বর্ণ বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিক সমান মর্যাদা ও অধিকার পাওয়ার যোগ্য।

তিনি উল্লেখ করেন, সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে সবার আগে মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং মানবিক আচরণই একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি।

দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের প্রসঙ্গ তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার দাবি জানাতে হবে—এমন পরিস্থিতি থাকা উচিত নয়। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে নিরাপদ মনে করবেন এবং স্বাধীনভাবে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় নেতা এবং সাধারণ নাগরিক—সবার সম্মিলিত উদ্যোগে অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহাবস্থান এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কানাডায় গায়কের গাড়ি লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি!

ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

Update Time : ১০:৫৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বা ভোটের কৌশল হিসেবে ব্যবহার না করে জনকল্যাণ, সুশাসন এবং মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিভাজন বা ভোটের রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদে সমাজে বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতা সৃষ্টি করে। তাই উন্নয়ন, ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ এবং সুশাসনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন  বিয়ের ৩০ কুসংস্কার ও ভ্রান্ত রীতি

তিনি বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন কোনো ভয় বা বাধা ছাড়াই নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং যেমন ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না। ধর্ম, বর্ণ বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিক সমান মর্যাদা ও অধিকার পাওয়ার যোগ্য।

আরও পড়ুন  ক্রিপ্টো লেনদেন কি হারাম? বিস্তারিত জানালেন তাকি উসমানি

তিনি উল্লেখ করেন, সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে সবার আগে মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং মানবিক আচরণই একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি।

দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের প্রসঙ্গ তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার দাবি জানাতে হবে—এমন পরিস্থিতি থাকা উচিত নয়। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে নিরাপদ মনে করবেন এবং স্বাধীনভাবে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারবেন।

আরও পড়ুন  জরুরি আপডেট: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী অধিবেশনেই? আইনমন্ত্রীর বড় ইঙ্গিত

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় নেতা এবং সাধারণ নাগরিক—সবার সম্মিলিত উদ্যোগে অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহাবস্থান এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।