ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাচ্ছেন? জানুন শরীরে কী ঘটতে পারে

প্রতিদিনের চা-বিস্কুটের অভ্যাসও পেটের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

চা-বিস্কুট অনেকের দৈনন্দিন নাশতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা বিকেলের আড্ডায় এক কাপ চায়ের সঙ্গে কয়েকটি বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস খুবই সাধারণ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এই অভ্যাস পেটের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি খালি পেটে বা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়।

বিস্কুটে থাকা পরিশোধিত ময়দা, অতিরিক্ত চিনি ও বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত উপাদান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। অন্যদিকে চায়ের ক্যাফেইন খালি পেটে পাকস্থলীর সংবেদনশীল আস্তরণে প্রভাব ফেলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, বদহজম কিংবা খাবার হজমে অস্বস্তির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বর্ষাকালে এসব সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। কারণ এ সময় হজমশক্তি তুলনামূলক ধীর থাকে এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় খাদ্যবাহিত জীবাণুর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ঘন ঘন পেট ফাঁপা, দীর্ঘদিন অ্যাসিডিটি, অনিয়মিত মলত্যাগ বা অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিস্কুটের পরিবর্তে ভাজা ছোলা, বাদাম, তাজা ফল, দই, ওটস বা লাল আটার রুটি বেছে নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ চায়ের বদলে আদা চা বা জিরা ভেজানো পানি অনেকের জন্য আরামদায়ক হতে পারে। ছোট একটি অভ্যাস পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মেট্রোরেল কতটা নিরাপদ? ২৭ বেয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল

প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাচ্ছেন? জানুন শরীরে কী ঘটতে পারে

Update Time : ১১:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

চা-বিস্কুট অনেকের দৈনন্দিন নাশতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা বিকেলের আড্ডায় এক কাপ চায়ের সঙ্গে কয়েকটি বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস খুবই সাধারণ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এই অভ্যাস পেটের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি খালি পেটে বা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়।

বিস্কুটে থাকা পরিশোধিত ময়দা, অতিরিক্ত চিনি ও বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত উপাদান অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। অন্যদিকে চায়ের ক্যাফেইন খালি পেটে পাকস্থলীর সংবেদনশীল আস্তরণে প্রভাব ফেলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, বদহজম কিংবা খাবার হজমে অস্বস্তির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন  গ্যাস ছাড়াই বানান জাফরানি বাটার চিকেন রাইস বোল

বর্ষাকালে এসব সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। কারণ এ সময় হজমশক্তি তুলনামূলক ধীর থাকে এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় খাদ্যবাহিত জীবাণুর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ঘন ঘন পেট ফাঁপা, দীর্ঘদিন অ্যাসিডিটি, অনিয়মিত মলত্যাগ বা অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিস্কুটের পরিবর্তে ভাজা ছোলা, বাদাম, তাজা ফল, দই, ওটস বা লাল আটার রুটি বেছে নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ চায়ের বদলে আদা চা বা জিরা ভেজানো পানি অনেকের জন্য আরামদায়ক হতে পারে। ছোট একটি অভ্যাস পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন  শিশু ডিহাইড্রেশন সম্পর্কে জানা জরুরি লক্ষণ ও করণীয়