ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ট্রাম্প-মেলানিয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান Logo ট্রেন চুরি: কৃত্রিম ব্লকেডে চাঞ্চল্য, মূল হোতাসহ গ্রেফতার ৫ Logo দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশ নারী হকি দলের ৮-০ গোলের হার Logo কুড়িগ্রাম কৃষি উপপরিচালক বদলি: নতুন দায়িত্বে রওশন কবীর Logo ২১ বছর পর বদলে গেল জুলিয়া হত্যা মামলার রায়, খালাস আমীর হোসেন Logo বয়স্কদের ডায়াবেটিস-হৃদ্‌রোগে কী খাবার, কী এড়িয়ে চলবেন? Logo অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমবে কেন, মূল্যস্ফীতি বাড়ার শঙ্কা Logo স্থানীয় নির্বাচন কবে, ২০২৭-এর শুরুতেই কি ভোট? Logo চন্দনাইশে ফাজিল ছাত্রকে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের অভিযোগ মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে, ইউএনও বরাবর অভিযোগ Logo ইংরেজি শেখা কেন কঠিন হচ্ছে শিক্ষার্থীদের জন্য

অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভর্তি, খরচ, স্কলারশিপ ও কাজের সুযোগ জানুন

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:১৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৫৮২

কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা দিচ্ছে অস্ট্রিয়া। ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক শিক্ষার্থীর কাছে একটি জনপ্রিয় পছন্দ। উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, তুলনামূলক কম টিউশন ফি, নিরাপদ জীবনযাত্রা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ থাকায় দেশটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করছে। শেনজেনভুক্ত দেশ হওয়ায় ইউরোপের অন্যান্য দেশে ভ্রমণ ও ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও বাড়ে।

কেন অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা বেছে নেবেন?

  1. বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা
  2. তুলনামূলক কম টিউশন ফি
  3. নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ
  4. আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়
  5. ইংরেজি ও জার্মান ভাষায় বিভিন্ন কোর্স
  6. পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ
  7. ইউরোপে চাকরি ও ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা

জনপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়

  1. University of Vienna
  2. TU Wien (Vienna University of Technology)
  3. University of Innsbruck
  4. University of Graz
  5. Graz University of Technology
  6. University of Klagenfurt
  7. University of Salzburg
  8. Johannes Kepler University Linz
  9. BOKU University
  10. Vienna University of Economics and Business

যেসব বিষয়ে পড়াশোনা করা যায়

  1. তথ্যপ্রযুক্তি (IT)
  2. প্রকৌশল
  3. ব্যবসা প্রশাসন
  4. অর্থনীতি
  5. আইন
  6. চিকিৎসাবিজ্ঞান
  7. সমাজবিজ্ঞান
  8. মনোবিজ্ঞান
  9. পরিবেশ বিজ্ঞান
  10. লাইফ সায়েন্স
  11. ভাষা ও সাহিত্য
  12. মানবিক বিভাগ

ভর্তির যোগ্যতা

স্নাতক (Bachelor’s):

  1. এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা
  2. প্রয়োজন অনুযায়ী জার্মান ভাষার দক্ষতা
  3. কিছু কোর্সে ইংরেজি ভাষার সনদ

স্নাতকোত্তর (Master’s):

  1. সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ১৮০ ECTS বা স্নাতক ডিগ্রি
  2. প্রয়োজনীয় একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
  3. ইংরেজি বা জার্মান ভাষার সনদ

পিএইচডি (PhD):

  1. মাস্টার্স ডিগ্রি
  2. গবেষণা প্রস্তাব (Research Proposal)

ভাষাগত যোগ্যতা

  1. IELTS
  2. TOEFL
  3. PTE
  4. Duolingo (কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে)
  5. German Language Certificate (যদি জার্মান কোর্স হয়)

আবেদন প্রক্রিয়া

  1. বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন
  2. বিষয় নির্বাচন
  3. যোগ্যতা যাচাই
  4. অনলাইনে আবেদন
  5. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড
  6. ভাষার সনদ জমা
  7. প্রয়োজন হলে ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার
  8. অফার লেটার গ্রহণ
  9. স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  1. পাসপোর্ট
  2. একাডেমিক সার্টিফিকেট
  3. ট্রান্সক্রিপ্ট
  4. IELTS/TOEFL
  5. Motivation Letter
  6. CV
  7. Recommendation Letter
  8. Passport Size Photo

টিউশন ফি

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

  1. প্রতি সেমিস্টার: প্রায় ৭৫১.৯২ ইউরো
  2. বছরে: প্রায় ১,৫০৩.৮৪ ইউরো

মাসিক জীবনযাত্রার খরচ

গড়ে প্রায় ১,৩০০ ইউরো, যার মধ্যে রয়েছে—

  1. বাসাভাড়া
  2. খাবার
  3. যাতায়াত
  4. স্বাস্থ্যবিমা
  5. ব্যক্তিগত খরচ
  6. শিক্ষাসামগ্রী

পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ

অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা—

  1. সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন
  2. Work Permit প্রয়োজন হয়
  3. অনুমতির মেয়াদ সাধারণত ১ বছর
  4. প্রয়োজন অনুযায়ী নবায়ন করা যায়

স্কলারশিপ সুবিধা

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে—

  1. Austrian Government Scholarship
  2. OeAD Scholarship
  3. Erasmus+
  4. University Scholarship
  5. Tuition Fee Waiver
  6. Monthly Stipend
  7. Health Insurance Support

পড়াশোনা শেষে চাকরির সুযোগ

ডিগ্রি শেষ করার পর শিক্ষার্থীরা—

  1. Job Seeker Residence Permit পেতে পারেন
  2. ফুল-টাইম চাকরি করতে পারেন
  3. সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি পান
  4. দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি হয়

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা নেওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়, কোর্স, ভাষাগত যোগ্যতা ও ভিসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে আবেদন করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ পাওয়ায় অস্ট্রিয়া এখন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প-মেলানিয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান

অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভর্তি, খরচ, স্কলারশিপ ও কাজের সুযোগ জানুন

Update Time : ১১:১৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক শিক্ষার্থীর কাছে একটি জনপ্রিয় পছন্দ। উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, তুলনামূলক কম টিউশন ফি, নিরাপদ জীবনযাত্রা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ থাকায় দেশটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করছে। শেনজেনভুক্ত দেশ হওয়ায় ইউরোপের অন্যান্য দেশে ভ্রমণ ও ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও বাড়ে।

কেন অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা বেছে নেবেন?

  1. বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা
  2. তুলনামূলক কম টিউশন ফি
  3. নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ
  4. আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়
  5. ইংরেজি ও জার্মান ভাষায় বিভিন্ন কোর্স
  6. পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ
  7. ইউরোপে চাকরি ও ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা

জনপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়

  1. University of Vienna
  2. TU Wien (Vienna University of Technology)
  3. University of Innsbruck
  4. University of Graz
  5. Graz University of Technology
  6. University of Klagenfurt
  7. University of Salzburg
  8. Johannes Kepler University Linz
  9. BOKU University
  10. Vienna University of Economics and Business
আরও পড়ুন  ট্রাম্পের নতুন ভিসানীতি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধাক্কা

যেসব বিষয়ে পড়াশোনা করা যায়

  1. তথ্যপ্রযুক্তি (IT)
  2. প্রকৌশল
  3. ব্যবসা প্রশাসন
  4. অর্থনীতি
  5. আইন
  6. চিকিৎসাবিজ্ঞান
  7. সমাজবিজ্ঞান
  8. মনোবিজ্ঞান
  9. পরিবেশ বিজ্ঞান
  10. লাইফ সায়েন্স
  11. ভাষা ও সাহিত্য
  12. মানবিক বিভাগ

ভর্তির যোগ্যতা

স্নাতক (Bachelor’s):

  1. এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা
  2. প্রয়োজন অনুযায়ী জার্মান ভাষার দক্ষতা
  3. কিছু কোর্সে ইংরেজি ভাষার সনদ

স্নাতকোত্তর (Master’s):

  1. সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ১৮০ ECTS বা স্নাতক ডিগ্রি
  2. প্রয়োজনীয় একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
  3. ইংরেজি বা জার্মান ভাষার সনদ

পিএইচডি (PhD):

  1. মাস্টার্স ডিগ্রি
  2. গবেষণা প্রস্তাব (Research Proposal)

ভাষাগত যোগ্যতা

  1. IELTS
  2. TOEFL
  3. PTE
  4. Duolingo (কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে)
  5. German Language Certificate (যদি জার্মান কোর্স হয়)
আরও পড়ুন  BRIT Academy London-এর Convocation 2026: ১৬০+ গ্র্যাজুয়েটের সাফল্য উদযাপন

আবেদন প্রক্রিয়া

  1. বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন
  2. বিষয় নির্বাচন
  3. যোগ্যতা যাচাই
  4. অনলাইনে আবেদন
  5. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড
  6. ভাষার সনদ জমা
  7. প্রয়োজন হলে ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার
  8. অফার লেটার গ্রহণ
  9. স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  1. পাসপোর্ট
  2. একাডেমিক সার্টিফিকেট
  3. ট্রান্সক্রিপ্ট
  4. IELTS/TOEFL
  5. Motivation Letter
  6. CV
  7. Recommendation Letter
  8. Passport Size Photo

টিউশন ফি

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

  1. প্রতি সেমিস্টার: প্রায় ৭৫১.৯২ ইউরো
  2. বছরে: প্রায় ১,৫০৩.৮৪ ইউরো

মাসিক জীবনযাত্রার খরচ

গড়ে প্রায় ১,৩০০ ইউরো, যার মধ্যে রয়েছে—

  1. বাসাভাড়া
  2. খাবার
  3. যাতায়াত
  4. স্বাস্থ্যবিমা
  5. ব্যক্তিগত খরচ
  6. শিক্ষাসামগ্রী

পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ

অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা—

  1. সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন
  2. Work Permit প্রয়োজন হয়
  3. অনুমতির মেয়াদ সাধারণত ১ বছর
  4. প্রয়োজন অনুযায়ী নবায়ন করা যায়
আরও পড়ুন  এআইইউবি প্রতিষ্ঠাতা ডা. আনোয়ারুল আবেদীনের মৃত্যুবার্ষিকী ৫ সেপ্টেম্বর

স্কলারশিপ সুবিধা

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে—

  1. Austrian Government Scholarship
  2. OeAD Scholarship
  3. Erasmus+
  4. University Scholarship
  5. Tuition Fee Waiver
  6. Monthly Stipend
  7. Health Insurance Support

পড়াশোনা শেষে চাকরির সুযোগ

ডিগ্রি শেষ করার পর শিক্ষার্থীরা—

  1. Job Seeker Residence Permit পেতে পারেন
  2. ফুল-টাইম চাকরি করতে পারেন
  3. সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি পান
  4. দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি হয়

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা নেওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়, কোর্স, ভাষাগত যোগ্যতা ও ভিসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে আবেদন করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ পাওয়ায় অস্ট্রিয়া এখন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।