ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিল গ্রামীণফোন

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিল গ্রামীণফোন

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা জমা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। প্রতিষ্ঠানটির ২০২৫ সালের শ্রমিকদের লভ্যাংশ অংশগ্রহণ তহবিলের (ডব্লিউপিপিএফ) ১০ শতাংশ হিসেবে এই অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে এ অর্থের চেক হস্তান্তর করে। অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারও উপস্থিত ছিলেন।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। দেশের উৎপাদন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রামীণফোনের মতো শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিতভাবে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে অর্থ প্রদানকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করেন শ্রমমন্ত্রী। তার মতে, এটি শুধু আইনের প্রতি প্রতিষ্ঠানের শ্রদ্ধাশীলতার বিষয় নয়, বরং দায়িত্বশীল কর্পোরেট আচরণেরও একটি উদাহরণ।

দেশের অন্যান্য দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানও একইভাবে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণে এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গ্রামীণফোন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে নিয়মিত অবদান রেখে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরুর পর থেকে এই তহবিলে অর্থ জমা দিয়ে আসছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছর পর্যন্ত গ্রামীণফোন শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে মোট ৩২৯ কোটি ৮৯ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৭ টাকা জমা দিয়েছে।

এর সঙ্গে ২০২৫ অর্থবছরের ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা নতুন করে যোগ হয়েছে। ফলে গ্রামীণফোনের শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে মোট অবদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ শ্রম আইনের আওতায় স্থানীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বছর শেষে তাদের মুনাফার ৫ শতাংশের এক-দশমাংশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমা দেয়।

এই আইনি কাঠামোর আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফার একটি অংশ শ্রমিকদের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত তহবিলে জমা হয়। গ্রামীণফোনও নিয়মিতভাবে এই তহবিলে তাদের নির্ধারিত অংশের অর্থ প্রদান করে আসছে।

২০২৫ সালের জন্য জমা দেওয়া ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিকদের লভ্যাংশ অংশগ্রহণ তহবিল বা ডব্লিউপিপিএফের ১০ শতাংশ হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণফোনের সিএইচআরও সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, দায়িত্বশীল কর্পোরেট নাগরিক হওয়া প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক পরিচালন প্রক্রিয়ার অংশ।

তিনি বলেন, গ্রামীণফোনের দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি শুধু কানেক্টিভিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র তৈরি করাও প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

এর পাশাপাশি কর্মীদের নতুন বিষয় শেখা, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখতে চায় গ্রামীণফোন।

প্রযুক্তি খাতের পরিবর্তনের সঙ্গে কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের ভবিষ্যৎ দক্ষতা তৈরির বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে বলে জানান তিনি।

গ্রামীণফোনের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি কর্মীদের কল্যাণ ও বৃহত্তর সমাজের প্রতি দায়িত্বশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নিয়মিত অবদান সেই দায়িত্বশীলতার অংশ।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস অ্যান্ড কালচার মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, হেড অব কমপেনসেশন, বেনিফিটস অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স মোহাম্মদ খালেদ মৃধা, সিনিয়র ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মো. হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার সৈয়দা তাহিয়া হোসেন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে তহবিলের চেক হস্তান্তর করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিল গ্রামীণফোন

Update Time : ১০:০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা জমা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। প্রতিষ্ঠানটির ২০২৫ সালের শ্রমিকদের লভ্যাংশ অংশগ্রহণ তহবিলের (ডব্লিউপিপিএফ) ১০ শতাংশ হিসেবে এই অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে এ অর্থের চেক হস্তান্তর করে। অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারও উপস্থিত ছিলেন।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। দেশের উৎপাদন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  মে দিবস ২০২৬: শ্রমিক অধিকার ও ন্যায্য মজুরির আহ্বান

গ্রামীণফোনের মতো শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিতভাবে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে অর্থ প্রদানকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করেন শ্রমমন্ত্রী। তার মতে, এটি শুধু আইনের প্রতি প্রতিষ্ঠানের শ্রদ্ধাশীলতার বিষয় নয়, বরং দায়িত্বশীল কর্পোরেট আচরণেরও একটি উদাহরণ।

দেশের অন্যান্য দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানও একইভাবে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণে এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গ্রামীণফোন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে নিয়মিত অবদান রেখে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরুর পর থেকে এই তহবিলে অর্থ জমা দিয়ে আসছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছর পর্যন্ত গ্রামীণফোন শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে মোট ৩২৯ কোটি ৮৯ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৭ টাকা জমা দিয়েছে।

এর সঙ্গে ২০২৫ অর্থবছরের ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা নতুন করে যোগ হয়েছে। ফলে গ্রামীণফোনের শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে মোট অবদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ শ্রম আইনের আওতায় স্থানীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বছর শেষে তাদের মুনাফার ৫ শতাংশের এক-দশমাংশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমা দেয়।

আরও পড়ুন  হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, সেন্টকমের দাবি উড়িয়ে দিল ইরান

এই আইনি কাঠামোর আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফার একটি অংশ শ্রমিকদের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত তহবিলে জমা হয়। গ্রামীণফোনও নিয়মিতভাবে এই তহবিলে তাদের নির্ধারিত অংশের অর্থ প্রদান করে আসছে।

২০২৫ সালের জন্য জমা দেওয়া ২৪ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৫ টাকা প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিকদের লভ্যাংশ অংশগ্রহণ তহবিল বা ডব্লিউপিপিএফের ১০ শতাংশ হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণফোনের সিএইচআরও সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, দায়িত্বশীল কর্পোরেট নাগরিক হওয়া প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক পরিচালন প্রক্রিয়ার অংশ।

তিনি বলেন, গ্রামীণফোনের দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি শুধু কানেক্টিভিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র তৈরি করাও প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

এর পাশাপাশি কর্মীদের নতুন বিষয় শেখা, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখতে চায় গ্রামীণফোন।

আরও পড়ুন  বিশ্বে ‘মানুষখেকো’ ছত্রাক ছড়িয়ে পড়ছে, কারণ বৈশ্বিক উষ্ণতা

প্রযুক্তি খাতের পরিবর্তনের সঙ্গে কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের ভবিষ্যৎ দক্ষতা তৈরির বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে বলে জানান তিনি।

গ্রামীণফোনের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি কর্মীদের কল্যাণ ও বৃহত্তর সমাজের প্রতি দায়িত্বশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নিয়মিত অবদান সেই দায়িত্বশীলতার অংশ।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস অ্যান্ড কালচার মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, হেড অব কমপেনসেশন, বেনিফিটস অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স মোহাম্মদ খালেদ মৃধা, সিনিয়র ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস এক্সপার্ট মো. হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার সৈয়দা তাহিয়া হোসেন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে তহবিলের চেক হস্তান্তর করা হয়।