সবুজবাগে কাতার প্রবাসী যুবক হত্যা ঘটনায় রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সবুজবাগের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম সিফাত। তিনি বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সবুজবাগের একটি বাসায় এক নারী শিক্ষার্থী ভাড়া থাকেন। পাশাপাশি তিনি অনলাইন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। রোববার বিকেলে ওই বাসায় যান কাতার প্রবাসী সিফাত। সেখানে যাওয়ার কিছু সময় পর এলাকার কয়েকজন যুবক বাসায় ঢুকে তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সিফাত কয়েকজনকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে তিনি বাসা থেকে নিচে নেমে এলে কয়েকজন যুবক তাকে কুপিয়ে জখম করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিফাতের মৃত্যু হয়। তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে কী কারণে ওই যুবকদের সঙ্গে তার সংঘর্ষের সূত্রপাত এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিস্তারিত কারণ কী, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় সিফাতের বান্ধবী বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদসহ ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সবুজবাগে কাতার প্রবাসী যুবক হত্যা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।




























