নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘাম শরীরের জন্য উপকারী হলেও অতিরিক্ত ঘাম ও তার সঙ্গে তৈরি হওয়া দুর্গন্ধ অনেক সময় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে। সাধারণত ঘামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া মিশে এই গন্ধের সৃষ্টি হয়। তবে কিছু সহজ অভ্যাস ও ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
সঠিকভাবে গোসলের অভ্যাস গড়ে তুলুন
ঘাম নিয়ন্ত্রণে বারবার গোসল করাই সমাধান নয়। বরং উপযুক্ত তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করা জরুরি। গরমে ঠান্ডা ও শীতে হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। চাইলে গোসলের পানিতে গ্রিন টি বা গোলাপজল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ত্বক সতেজ থাকবে এবং দুর্গন্ধ কমবে।
বেকিং সোডার ব্যবহার
বেকিং সোডা প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্টের মতো কাজ করে। এক চামচ বেকিং সোডা ও সামান্য বেকিং পাউডার মিশিয়ে বগল বা শরীরের ভাঁজে ব্যবহার করলে ঘামের গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।
আরামদায়ক পোশাক নির্বাচন করুন
টাইট বা সিনথেটিক কাপড়ের বদলে সুতির, ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে ঘাম দ্রুত শুকায় এবং ব্যাকটেরিয়া জমার সুযোগ কমে। প্রতিদিন মোজা ও অন্তর্বাস পরিষ্কার রাখা জরুরি।
খাবারের দিকে নজর দিন
অতিরিক্ত তেল-চর্বি, মশলাদার খাবার ও ক্যাফেইন ঘাম বাড়াতে পারে। তাই এগুলো কমিয়ে দিয়ে বেশি পানি, ফলমূল ও হারবাল পানীয় গ্রহণ করুন। এতে শরীরের ভেতর থেকে গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।
লেবুর প্রাকৃতিক ব্যবহার
লেবু ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স বজায় রাখতে সহায়তা করে। লেবুর রস শরীরের ভাঁজে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে ব্যাকটেরিয়া কমে এবং দুর্গন্ধ হ্রাস পায়।
নিয়মিত এসব অভ্যাস মেনে চললে ঘামের দুর্গন্ধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।




























