ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ফারিণ স্পেন সফর | দারুণ ছবিতে মুগ্ধ ভক্তরা, ইবিজা ভ্রমণে নতুন চমক Logo সরোয়ারের প্রার্থিতা মামলা: ২৭ জুলাই শুনানির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত Logo ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার রায়: হত্যাকাণ্ডেও থামেনি ছাত্র আন্দোলন Logo ‘দ্য ওডিসি’র ঝড়ের মাঝে নোলানের বড় সিদ্ধান্ত,বানাবেন না নতুন সিনেমা Logo আর্লিং হলান্ডের হাঁটা নকল করলেন বিটিএস তারকা জিমিন Logo মার্জিন ঋণে নতুন নিয়ম, ইক্যুইটি ৫০% কমলেই শেয়ার বিক্রি Logo পল্লী উন্নয়ন বোর্ড নিয়োগ: ৯ম-২০তম গ্রেডে ১৮৫ পদে আবেদন শুরু Logo ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল আসছে, আগেই প্রকাশের ইঙ্গিত পিএসসির Logo পাবনার হোসিয়ারিশিল্প সংকটে, ভারত রপ্তানি বন্ধে বন্ধ হচ্ছে কারখানা Logo জয়া আহসানের নতুন সিনেমা | ভারতীয় সমালোচকদের দুর্দান্ত প্রশংসায় ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • ৫৫১

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি। ছবি: সংগৃহীত

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি আজও চলছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পবিত্র ঈদুল আজহার ধর্মীয় তাৎপর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় অনেক মুসল্লি আজও পশু কোরবানি দিচ্ছেন। কেউ পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে, আবার কেউ কসাই সংকটের কারণে দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করাকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের মনে করছেন।

রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, মিরপুর ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। অনেকে ঈদের প্রথম দিনের অতিরিক্ত ভিড় ও চাপ এড়াতে দ্বিতীয় দিন বেছে নিয়েছেন। এতে কসাই পাওয়া সহজ হচ্ছে এবং মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টনের কাজও তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে করা যাচ্ছে।

মগবাজারের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন জানান, তাদের পরিবারে বহু বছর ধরেই ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি দেওয়ার রীতি রয়েছে। পরিবারের সবাই একসঙ্গে সময় নিয়ে কোরবানি ও মাংস বিতরণের কাজ সম্পন্ন করেন। এতে ঈদের আনন্দও আরও বেশি উপভোগ করা যায় বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে কসাই মতিন মিয়া বলেন, ঈদের দিন কয়েকটি গরু জবাইয়ের পর দ্বিতীয় দিনেও ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। তার মতে, অনেক পরিবার এখন পরিকল্পনা করেই দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করেন যাতে তাড়াহুড়ো কম থাকে এবং কাজ আরও সুন্দরভাবে করা যায়।

ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ পর্যন্ত কোরবানি আদায় করা বৈধ। অর্থাৎ ঈদের দিন ছাড়াও পরবর্তী দুই দিন কোরবানি করা যায়। আলেমরা বলছেন, সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোরবানি আদায় করলেই তা গ্রহণযোগ্য হবে।

ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি কোরবানি ঘিরে সামাজিক সম্প্রীতির চিত্রও ফুটে উঠছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। অনেকে প্রতিবেশী ও স্বজনদের সঙ্গে মাংস ভাগাভাগি করছেন। দরিদ্র মানুষের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে কোরবানির মাংস। ফলে ঈদের আনন্দ আরও ছড়িয়ে পড়ছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফারিণ স্পেন সফর | দারুণ ছবিতে মুগ্ধ ভক্তরা, ইবিজা ভ্রমণে নতুন চমক

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Update Time : ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি আজও চলছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পবিত্র ঈদুল আজহার ধর্মীয় তাৎপর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় অনেক মুসল্লি আজও পশু কোরবানি দিচ্ছেন। কেউ পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে, আবার কেউ কসাই সংকটের কারণে দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করাকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের মনে করছেন।

রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, মিরপুর ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। অনেকে ঈদের প্রথম দিনের অতিরিক্ত ভিড় ও চাপ এড়াতে দ্বিতীয় দিন বেছে নিয়েছেন। এতে কসাই পাওয়া সহজ হচ্ছে এবং মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টনের কাজও তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  জামায়াত চাঁদপুরে ৫ হাজার পরিবারের মধ্যে কোরবানির মাংস পৌঁছে দিল

মগবাজারের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন জানান, তাদের পরিবারে বহু বছর ধরেই ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি দেওয়ার রীতি রয়েছে। পরিবারের সবাই একসঙ্গে সময় নিয়ে কোরবানি ও মাংস বিতরণের কাজ সম্পন্ন করেন। এতে ঈদের আনন্দও আরও বেশি উপভোগ করা যায় বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে কসাই মতিন মিয়া বলেন, ঈদের দিন কয়েকটি গরু জবাইয়ের পর দ্বিতীয় দিনেও ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। তার মতে, অনেক পরিবার এখন পরিকল্পনা করেই দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করেন যাতে তাড়াহুড়ো কম থাকে এবং কাজ আরও সুন্দরভাবে করা যায়।

আরও পড়ুন  ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকান-বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ পর্যন্ত কোরবানি আদায় করা বৈধ। অর্থাৎ ঈদের দিন ছাড়াও পরবর্তী দুই দিন কোরবানি করা যায়। আলেমরা বলছেন, সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোরবানি আদায় করলেই তা গ্রহণযোগ্য হবে।

ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি কোরবানি ঘিরে সামাজিক সম্প্রীতির চিত্রও ফুটে উঠছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। অনেকে প্রতিবেশী ও স্বজনদের সঙ্গে মাংস ভাগাভাগি করছেন। দরিদ্র মানুষের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে কোরবানির মাংস। ফলে ঈদের আনন্দ আরও ছড়িয়ে পড়ছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে।

আরও পড়ুন  কোরবানির শিক্ষা: ত্যাগ, তাকওয়া ও মানবিকতার চিরন্তন আহ্বান