ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • ৫৭২

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি। ছবি: সংগৃহীত

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি আজও চলছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পবিত্র ঈদুল আজহার ধর্মীয় তাৎপর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় অনেক মুসল্লি আজও পশু কোরবানি দিচ্ছেন। কেউ পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে, আবার কেউ কসাই সংকটের কারণে দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করাকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের মনে করছেন।

রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, মিরপুর ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। অনেকে ঈদের প্রথম দিনের অতিরিক্ত ভিড় ও চাপ এড়াতে দ্বিতীয় দিন বেছে নিয়েছেন। এতে কসাই পাওয়া সহজ হচ্ছে এবং মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টনের কাজও তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে করা যাচ্ছে।

মগবাজারের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন জানান, তাদের পরিবারে বহু বছর ধরেই ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি দেওয়ার রীতি রয়েছে। পরিবারের সবাই একসঙ্গে সময় নিয়ে কোরবানি ও মাংস বিতরণের কাজ সম্পন্ন করেন। এতে ঈদের আনন্দও আরও বেশি উপভোগ করা যায় বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে কসাই মতিন মিয়া বলেন, ঈদের দিন কয়েকটি গরু জবাইয়ের পর দ্বিতীয় দিনেও ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। তার মতে, অনেক পরিবার এখন পরিকল্পনা করেই দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করেন যাতে তাড়াহুড়ো কম থাকে এবং কাজ আরও সুন্দরভাবে করা যায়।

ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ পর্যন্ত কোরবানি আদায় করা বৈধ। অর্থাৎ ঈদের দিন ছাড়াও পরবর্তী দুই দিন কোরবানি করা যায়। আলেমরা বলছেন, সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোরবানি আদায় করলেই তা গ্রহণযোগ্য হবে।

ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি কোরবানি ঘিরে সামাজিক সম্প্রীতির চিত্রও ফুটে উঠছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। অনেকে প্রতিবেশী ও স্বজনদের সঙ্গে মাংস ভাগাভাগি করছেন। দরিদ্র মানুষের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে কোরবানির মাংস। ফলে ঈদের আনন্দ আরও ছড়িয়ে পড়ছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Update Time : ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি আজও চলছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পবিত্র ঈদুল আজহার ধর্মীয় তাৎপর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় অনেক মুসল্লি আজও পশু কোরবানি দিচ্ছেন। কেউ পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে, আবার কেউ কসাই সংকটের কারণে দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করাকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের মনে করছেন।

রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, মিরপুর ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। অনেকে ঈদের প্রথম দিনের অতিরিক্ত ভিড় ও চাপ এড়াতে দ্বিতীয় দিন বেছে নিয়েছেন। এতে কসাই পাওয়া সহজ হচ্ছে এবং মাংস সংরক্ষণ ও বণ্টনের কাজও তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  ডেমরায় ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট

মগবাজারের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন জানান, তাদের পরিবারে বহু বছর ধরেই ঈদের দ্বিতীয় দিনের কোরবানি দেওয়ার রীতি রয়েছে। পরিবারের সবাই একসঙ্গে সময় নিয়ে কোরবানি ও মাংস বিতরণের কাজ সম্পন্ন করেন। এতে ঈদের আনন্দও আরও বেশি উপভোগ করা যায় বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে কসাই মতিন মিয়া বলেন, ঈদের দিন কয়েকটি গরু জবাইয়ের পর দ্বিতীয় দিনেও ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। তার মতে, অনেক পরিবার এখন পরিকল্পনা করেই দ্বিতীয় দিনে কোরবানি করেন যাতে তাড়াহুড়ো কম থাকে এবং কাজ আরও সুন্দরভাবে করা যায়।

আরও পড়ুন  কোরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য কী—জানুন ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ পর্যন্ত কোরবানি আদায় করা বৈধ। অর্থাৎ ঈদের দিন ছাড়াও পরবর্তী দুই দিন কোরবানি করা যায়। আলেমরা বলছেন, সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোরবানি আদায় করলেই তা গ্রহণযোগ্য হবে।

ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি কোরবানি ঘিরে সামাজিক সম্প্রীতির চিত্রও ফুটে উঠছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। অনেকে প্রতিবেশী ও স্বজনদের সঙ্গে মাংস ভাগাভাগি করছেন। দরিদ্র মানুষের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে কোরবানির মাংস। ফলে ঈদের আনন্দ আরও ছড়িয়ে পড়ছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে।

আরও পড়ুন  কুরআন ও হাদিসের আলোকে কুরবানী: নিয়ম, সময়, পশু ও শর্তের পূর্ণ গাইড