ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবির আইবিএতে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ৪৪তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন

ঢাবির আইবিএতে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ৪৪তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) এক্সিকিউটিভ মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) প্রোগ্রামের ৪৪তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আইবিএর ৪১২ নম্বর কক্ষে এ ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মো. ইফতেখারুল আমিন।

এবারের এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। আইবিএ সূত্রে জানা গেছে, ৪৪তম ব্যাচে ভর্তির জন্য মোট ৩৮৯ জন আবেদন করেন। লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা এবং অন্যান্য নির্ধারিত ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের আইবিএর একাডেমিক পরিবেশ, শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রোগ্রামের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। এ সময় ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন এবং সহপাঠীদের সঙ্গে পরিচিত হন।

অনুষ্ঠানের একটি পর্যায়ে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ৪৩তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী তার একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। কর্মজীবনের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রাম কীভাবে সহায়ক হতে পারে, সে বিষয়েও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

ওরিয়েন্টেশনে আইবিএর রিসার্চ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মো. মোহিউদ্দিন এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামের বিভিন্ন নিয়ম, বিধিবিধান ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস, একাডেমিক শৃঙ্খলা এবং প্রোগ্রামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

পরে নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ। তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আইবিএর একাডেমিক পরিবেশের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে নিজেদের জ্ঞান, নেতৃত্বগুণ ও পেশাগত সক্ষমতা আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

আইবিএর এক্সিকিউটিভ এমবিএ মূলত কর্মজীবীদের উচ্চতর ব্যবসায়িক শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে। ফলে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য এ ধরনের প্রোগ্রাম পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

সভাপতির বক্তব্যের পর ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রুপ ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে ছবি তোলেন। পরে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।

ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ৪৪তম ব্যাচের নিয়মিত ক্লাস শুরু হয়। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ব্যাচের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

৩৮৯ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হওয়ায় এবারের ব্যাচে প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি প্রক্রিয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। নতুন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে আইবিএর পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবির আইবিএতে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ৪৪তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন

Update Time : ১০:৩১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) এক্সিকিউটিভ মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) প্রোগ্রামের ৪৪তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আইবিএর ৪১২ নম্বর কক্ষে এ ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মো. ইফতেখারুল আমিন।

এবারের এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। আইবিএ সূত্রে জানা গেছে, ৪৪তম ব্যাচে ভর্তির জন্য মোট ৩৮৯ জন আবেদন করেন। লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা এবং অন্যান্য নির্ধারিত ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের আইবিএর একাডেমিক পরিবেশ, শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রোগ্রামের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। এ সময় ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন এবং সহপাঠীদের সঙ্গে পরিচিত হন।

অনুষ্ঠানের একটি পর্যায়ে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ৪৩তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী তার একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। কর্মজীবনের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রাম কীভাবে সহায়ক হতে পারে, সে বিষয়েও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

ওরিয়েন্টেশনে আইবিএর রিসার্চ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মো. মোহিউদ্দিন এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামের বিভিন্ন নিয়ম, বিধিবিধান ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস, একাডেমিক শৃঙ্খলা এবং প্রোগ্রামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

আরও পড়ুন  শা-পা ডে: বিইউপি শিক্ষার্থীদের শাড়ি-পাঞ্জাবি দিবসের উৎসব

পরে নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ। তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আইবিএর একাডেমিক পরিবেশের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে নিজেদের জ্ঞান, নেতৃত্বগুণ ও পেশাগত সক্ষমতা আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

আইবিএর এক্সিকিউটিভ এমবিএ মূলত কর্মজীবীদের উচ্চতর ব্যবসায়িক শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে। ফলে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য এ ধরনের প্রোগ্রাম পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

আরও পড়ুন  ঢাবি টিচার্স ক্রিকেট লিগের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

সভাপতির বক্তব্যের পর ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রুপ ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে ছবি তোলেন। পরে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।

ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ৪৪তম ব্যাচের নিয়মিত ক্লাস শুরু হয়। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ব্যাচের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

৩৮৯ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হওয়ায় এবারের ব্যাচে প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি প্রক্রিয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। নতুন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে আইবিএর পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।