ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চট্টগ্রামে একদিনে ঘুরুন যে ৬ মনোমুগ্ধকর সমুদ্রসৈকতে Logo অবিশ্বাস্য রেকর্ড! নাথান থমাস বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক হলেন Logo ম্রুণাল ঠাকুরের কঠোর সতর্কবার্তা: AI ডিপফেক অপব্যবহারে আইনি ব্যবস্থা Logo রিজভীর বিস্ফোরক দাবি: জনগণের পারমাণবিক শক্তিতে ফ্যাসিবাদের পতন Logo বিপজ্জনক গ্রহাণু প্রতিরোধ: বিজ্ঞানীদের শক্তিশালী নতুন পরিকল্পনা Logo টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন আসে Logo টেলিগ্রাম অ্যাপ স্টোর: হঠাৎ উধাও, অবশেষে সামনে এলো বড় কারণ? Logo উত্তরাঞ্চলে বিনিয়োগ: বাধা দূর, উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান Logo বিজিএমইএ-বিটিএমএ একসঙ্গে, ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য Logo কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকের বেশি কমল, আমদানিতে মিলল স্বস্তি

উজবেকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কলম্বিয়ার

উজবেকিস্তানকে হারিয়ে কলম্বিয়ার শুভসূচনা

নবাগত উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ মিশন দুর্দান্তভাবে শুরু করেছে কলম্বিয়া। গ্রুপ ‘কে’-এর এই ম্যাচে অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয়। ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তারা।

বিশ্বকাপের মঞ্চে উজবেকিস্তানের এটি ছিল একটি স্মরণীয় দিন। প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলটি শক্তিশালী কলম্বিয়ার বিপক্ষে লড়াই করার চেষ্টা করেছে। তবে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার পার্থক্য শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে কলম্বিয়া। মাঝমাঠে দ্রুত পাস আদান-প্রদানের মাধ্যমে তারা বারবার উজবেকিস্তানের রক্ষণভাগে আক্রমণ চালায়। প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা।

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে কলম্বিয়া কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়। দারুণ একটি দলীয় আক্রমণ থেকে বল জালে জড়িয়ে এগিয়ে যায় তারা। গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে কলম্বিয়ান ফুটবলাররা।

তবে পিছিয়ে পড়ার পরও ভেঙে পড়েনি উজবেকিস্তান। সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেছে দলটি। কয়েকটি আক্রমণে তারা কলম্বিয়ার রক্ষণভাগকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে উজবেকিস্তান সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় গোল পাওয়া হয়নি। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কলম্বিয়া।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আরও আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করে কলম্বিয়া। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখতে তারা উচ্চ গতির ফুটবল খেলতে থাকে। এর ফলও দ্রুত পেয়ে যায় দলটি।

দ্বিতীয় গোলটি আসে চমৎকার এক সমন্বিত আক্রমণ থেকে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান ২-০ করে ফেলে কলম্বিয়া। এই গোলের পর ম্যাচ অনেকটাই তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়লেও হাল ছাড়েনি উজবেকিস্তান। বরং সাহসী ফুটবল খেলে তারা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যায়। একপর্যায়ে দুর্দান্ত একটি আক্রমণ থেকে গোল করে ব্যবধান কমাতে সক্ষম হয় দলটি।

উজবেকিস্তানের গোলের পর ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফিরে আসে। দর্শকদের মধ্যেও নতুন করে আশা জাগে যে নবাগত দলটি হয়তো চমক দেখাতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা বেশিক্ষণ টিকেনি।

গোল হজমের পর দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নেয় কলম্বিয়া। মাঝমাঠে আধিপত্য বজায় রেখে তারা আবারও আক্রমণের গতি বাড়ায়। প্রতিপক্ষকে সুযোগ না দিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে।

ম্যাচের শেষ দিকে তৃতীয় গোলটি করে জয় নিশ্চিত করে কলম্বিয়া। দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে দলের সমর্থকদের উল্লাসে মাতিয়ে তোলেন একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। এই গোলের পর উজবেকিস্তানের আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল না।

পুরো ম্যাচে কলম্বিয়ার ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণ—তিন বিভাগেই তারা ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে। বিশেষ করে মাঝমাঠের খেলোয়াড়রা ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

অন্যদিকে উজবেকিস্তান পরাজিত হলেও নিজেদের সামর্থ্যের ঝলক দেখিয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে প্রথম ম্যাচ খেলেও তারা ভয়হীন ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছে। ভবিষ্যতের জন্য এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

কলম্বিয়ার কোচ ম্যাচ শেষে দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া সবসময় গুরুত্বপূর্ণ এবং তার দল পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পেরেছে। তবে সামনের ম্যাচগুলো আরও কঠিন হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উজবেকিস্তানের কোচও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে দলটি মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। কিছু ভুল থাকলেও ভবিষ্যতে সেগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘কে’-তে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে কলম্বিয়া। প্রথম ম্যাচ থেকেই তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করায় নকআউট পর্বে ওঠার দৌড়ে তারা এগিয়ে গেল। দলের আত্মবিশ্বাসও অনেক বেড়ে যাবে।

গ্রুপের পরবর্তী ম্যাচগুলো এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কলম্বিয়া চাইবে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করতে। অন্যদিকে উজবেকিস্তানের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অনেক দল প্রথম ম্যাচে হার দিয়ে শুরু করেও পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সেই উদাহরণ সামনে রেখে উজবেকিস্তানও নতুন উদ্যমে মাঠে নামতে চাইবে। তাদের জন্য প্রতিটি ম্যাচ এখন বাঁচা-মরার লড়াই।

সব মিলিয়ে গ্রুপ ‘কে’-এর এই ম্যাচটি ছিল দারুণ উপভোগ্য। নবাগত উজবেকিস্তান সাহসী ফুটবলের পরিচয় দিলেও অভিজ্ঞ কলম্বিয়ার সামনে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেনি। ৩-১ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে কলম্বিয়া জানিয়ে দিল, এবারের আসরে তারা বড় কিছু করার লক্ষ্য নিয়েই এসেছে।

চট্টগ্রামে একদিনে ঘুরুন যে ৬ মনোমুগ্ধকর সমুদ্রসৈকতে

উজবেকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কলম্বিয়ার

Update Time : ০৯:০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

নবাগত উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ মিশন দুর্দান্তভাবে শুরু করেছে কলম্বিয়া। গ্রুপ ‘কে’-এর এই ম্যাচে অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয়। ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তারা।

বিশ্বকাপের মঞ্চে উজবেকিস্তানের এটি ছিল একটি স্মরণীয় দিন। প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলটি শক্তিশালী কলম্বিয়ার বিপক্ষে লড়াই করার চেষ্টা করেছে। তবে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার পার্থক্য শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে কলম্বিয়া। মাঝমাঠে দ্রুত পাস আদান-প্রদানের মাধ্যমে তারা বারবার উজবেকিস্তানের রক্ষণভাগে আক্রমণ চালায়। প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা।

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে কলম্বিয়া কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়। দারুণ একটি দলীয় আক্রমণ থেকে বল জালে জড়িয়ে এগিয়ে যায় তারা। গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে কলম্বিয়ান ফুটবলাররা।

তবে পিছিয়ে পড়ার পরও ভেঙে পড়েনি উজবেকিস্তান। সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেছে দলটি। কয়েকটি আক্রমণে তারা কলম্বিয়ার রক্ষণভাগকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়।

আরও পড়ুন  মেসি গোল: দুর্দান্ত প্রস্তুতি ম্যাচে আইসল্যান্ডকে হারাল আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধের শেষ দিকে উজবেকিস্তান সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় গোল পাওয়া হয়নি। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কলম্বিয়া।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আরও আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করে কলম্বিয়া। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখতে তারা উচ্চ গতির ফুটবল খেলতে থাকে। এর ফলও দ্রুত পেয়ে যায় দলটি।

দ্বিতীয় গোলটি আসে চমৎকার এক সমন্বিত আক্রমণ থেকে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান ২-০ করে ফেলে কলম্বিয়া। এই গোলের পর ম্যাচ অনেকটাই তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়লেও হাল ছাড়েনি উজবেকিস্তান। বরং সাহসী ফুটবল খেলে তারা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যায়। একপর্যায়ে দুর্দান্ত একটি আক্রমণ থেকে গোল করে ব্যবধান কমাতে সক্ষম হয় দলটি।

উজবেকিস্তানের গোলের পর ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফিরে আসে। দর্শকদের মধ্যেও নতুন করে আশা জাগে যে নবাগত দলটি হয়তো চমক দেখাতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা বেশিক্ষণ টিকেনি।

গোল হজমের পর দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নেয় কলম্বিয়া। মাঝমাঠে আধিপত্য বজায় রেখে তারা আবারও আক্রমণের গতি বাড়ায়। প্রতিপক্ষকে সুযোগ না দিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে।

আরও পড়ুন  আজ পর্দা নামছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, সমাপনীতে থাকছেন প্রধানমন্ত্রী

ম্যাচের শেষ দিকে তৃতীয় গোলটি করে জয় নিশ্চিত করে কলম্বিয়া। দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে দলের সমর্থকদের উল্লাসে মাতিয়ে তোলেন একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। এই গোলের পর উজবেকিস্তানের আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল না।

পুরো ম্যাচে কলম্বিয়ার ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণ—তিন বিভাগেই তারা ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে। বিশেষ করে মাঝমাঠের খেলোয়াড়রা ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

অন্যদিকে উজবেকিস্তান পরাজিত হলেও নিজেদের সামর্থ্যের ঝলক দেখিয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে প্রথম ম্যাচ খেলেও তারা ভয়হীন ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছে। ভবিষ্যতের জন্য এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

কলম্বিয়ার কোচ ম্যাচ শেষে দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া সবসময় গুরুত্বপূর্ণ এবং তার দল পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পেরেছে। তবে সামনের ম্যাচগুলো আরও কঠিন হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উজবেকিস্তানের কোচও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে দলটি মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। কিছু ভুল থাকলেও ভবিষ্যতে সেগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন  নেইমার কি ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলবেন?

এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘কে’-তে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে কলম্বিয়া। প্রথম ম্যাচ থেকেই তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করায় নকআউট পর্বে ওঠার দৌড়ে তারা এগিয়ে গেল। দলের আত্মবিশ্বাসও অনেক বেড়ে যাবে।

গ্রুপের পরবর্তী ম্যাচগুলো এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কলম্বিয়া চাইবে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করতে। অন্যদিকে উজবেকিস্তানের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অনেক দল প্রথম ম্যাচে হার দিয়ে শুরু করেও পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সেই উদাহরণ সামনে রেখে উজবেকিস্তানও নতুন উদ্যমে মাঠে নামতে চাইবে। তাদের জন্য প্রতিটি ম্যাচ এখন বাঁচা-মরার লড়াই।

সব মিলিয়ে গ্রুপ ‘কে’-এর এই ম্যাচটি ছিল দারুণ উপভোগ্য। নবাগত উজবেকিস্তান সাহসী ফুটবলের পরিচয় দিলেও অভিজ্ঞ কলম্বিয়ার সামনে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেনি। ৩-১ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে কলম্বিয়া জানিয়ে দিল, এবারের আসরে তারা বড় কিছু করার লক্ষ্য নিয়েই এসেছে।