ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ট্রিলিয়ন অর্থনীতির পথে, জলবায়ু অর্থায়নে নতুন উদ্যোগ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৮

জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন ও ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত নীতি সংলাপ।

বাংলাদেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সামনে রেখে জলবায়ু অর্থায়ন জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) রাজধানীতে একটি উচ্চপর্যায়ের নীতি সংলাপের আয়োজন করেছে। এতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত সংলাপের মূল বিষয় ছিল জলবায়ু সহনশীল উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ-উপযোগী প্রকল্প তৈরি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ বাড়ানো। বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপের আওতায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) কারিগরি সহায়তা দেয়।

অনুষ্ঠানে ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও কার্যকরভাবে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কাজে লাগাতে হবে। তিনি স্বীকার করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলে প্রকল্প জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশ এখনও প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে শক্তিশালী কাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সংলাপে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাংও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের প্রকল্প প্রণয়ন জরুরি। সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প তৈরি করা গেলে বাংলাদেশ আরও বেশি বৈশ্বিক অর্থায়ন আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে দুটি নীতি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা, প্রকল্প পরিকল্পনা, অর্থায়নের সুযোগ এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডে কার্যকর প্রস্তাব উপস্থাপনের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীদের ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের জলবায়ু প্রকল্প তৈরিতে সক্ষম করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।

সমাপনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তিনি দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বৈশ্বিক জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের আশা: মারনাস লাবুশেনের বাংলাদেশ সিরিজ প্রস্তুতি

ট্রিলিয়ন অর্থনীতির পথে, জলবায়ু অর্থায়নে নতুন উদ্যোগ

Update Time : ১০:০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সামনে রেখে জলবায়ু অর্থায়ন জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) রাজধানীতে একটি উচ্চপর্যায়ের নীতি সংলাপের আয়োজন করেছে। এতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত সংলাপের মূল বিষয় ছিল জলবায়ু সহনশীল উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ-উপযোগী প্রকল্প তৈরি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ বাড়ানো। বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপের আওতায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) কারিগরি সহায়তা দেয়।

আরও পড়ুন  স্বর্ণের দাম বাড়ল, নতুন দামে চমক

অনুষ্ঠানে ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও কার্যকরভাবে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কাজে লাগাতে হবে। তিনি স্বীকার করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলে প্রকল্প জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশ এখনও প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে শক্তিশালী কাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সংলাপে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাংও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের প্রকল্প প্রণয়ন জরুরি। সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প তৈরি করা গেলে বাংলাদেশ আরও বেশি বৈশ্বিক অর্থায়ন আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানি অনুমোদন

অনুষ্ঠানে দুটি নীতি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা, প্রকল্প পরিকল্পনা, অর্থায়নের সুযোগ এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডে কার্যকর প্রস্তাব উপস্থাপনের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীদের ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের জলবায়ু প্রকল্প তৈরিতে সক্ষম করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।

সমাপনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তিনি দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বৈশ্বিক জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী